সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ‘সরকার ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে রুফটপ সোলারে আগ্রাসীভাবে এগোচ্ছে। এ জন্য বিনিয়োগবান্ধব নীতি ও পাঁচ বছরের কর অবকাশ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত চাহিদা ও সরবরাহের ঘাটতিই স্বীকার করে জনগণের ভোগান্তির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘দেশীয় কূপে প্রতি বছর ১ হাজার ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট উৎপাদন কমায় এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো না থাকায় রাতারাতি এলএনজি আমদানি বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না।
প্যানেল আলোচনায় ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ম. তামিম বলেন, বাপেক্স-নির্ভরতা কমিয়ে আন্তর্জাতিক কোম্পানির মাধ্যমে গভীর ও পুরোনো গ্যাসক্ষেত্রে নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা শামসুল আলম বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ‘বিপ্লবী পরিবর্তন’ ও যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণের দাবি জানান।
ইস্ট কোস্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী মাতারবাড়ীকে আঞ্চলিক এনার্জি হাব হিসেবে গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন এবং নীতিগত অনিশ্চয়তা দূর করে বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশ ইন্ডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশনের (বিপ্পা) সভাপতি ডেভিড হাসনাত জানান, গ্যাস ঘাটতিতে প্রায় ৭ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত অবকাঠামো ও দেশীয় কয়লা ব্যবহারের ওপর জোর দেন তিনি।
এফইআরবির চেয়ারম্যান এম আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও নির্বাহী পরিচালক সেরাজুল ইসলাম সিরাজের স্বাগত বক্তব্যে অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন ও জ্বালানি খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।









