রাজশাহী

ঘন কুয়াশায় রাজশাহী অঞ্চলে যানবাহন চলছে ধীরগতিতে

নিউজ ডেস্ক১০ ডিসেম্বর ২০২৪২ মিনিট পড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়েছে উত্তরের রাজশাহীসহ ১৬ জেলা। ভোর থেকে মহাসড়কে সব ধরনের যানবাহন হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করছে। কুয়াশা আর হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে উত্তর অঞ্চলের জনজীবন। নিতান্তই প্রয়োজন কিংবা জীবিকার তাগিদে ছুটে চলা মানুষের দেখা মিলছে পথে-ঘাটে। বিশেষ করে রংপুর বিভাগের জনজীবন অনেকটা থমকে গেছে তীব্র শীতের কারণে।

আজ মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) দিনাজপুরে সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বাতাসের আর্দ্রতা ৯৫ শতাংশ। জেলায় চলতি শীত মৌসুমে সর্বনিম্ন ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, ঘনকুয়াশায় তাপমাত্রা কম ও হিমেল বাতাসের প্রভাবে জনজীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা। খেটে খাওয়া মানুষের বাড়ছে দুর্ভোগ। তারা ঠিকমতো কাজে যেতে পারছেন না। ফলে উপার্জনে ভাটা পড়তে শুরু করেছে।

ট্রাক চালক বলেন, সোমবার রাত থেতে এতো কুয়াশা ১০ হাত দূরের গাড়ি ঠিকমতো দেখা যায় না। এতে গন্তব্য পৌঁছাতে বেশি সময় লাগছে।

অটোরিকশা চালকরা জানান, যে পরিমাণ কুয়াশা আর ঠান্ডা বাতাস মানুষ বাড়ি থেকে কেমন করে বের হবে। আগে দৈনিক ভাড়া আয় করতেন ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা। কয়েকদিন ধরে ৪০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা আয় হচ্ছে। শীত এলে তাদের কষ্ট হয়।

রাজশাহীর ট্রাকচালক জিল্লুর রহমান বলেন, ‘কুয়াশার কারণে হেডলাইট জ্বালাতে হচ্ছে গাড়ীর। তার পরেও ঝুঁকি থেকে যাচ্ছে। ফলে ট্রাক ধীর গতিতে চালাতে হচ্ছে।

দিনাজপুর আঞ্চলিক আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন বলেন, আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টায় দিনাজপুরের তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৩ শতাংশ। বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১ কিলোমিটার।