শাহিনুল ইসলাম আশিক :
‘আমি অনকে দিন থেকে আর্সেনিক রোগে ভুগছি। আমার শরীরে ৫বার অপারেশন করা হয়েছে আর্সেনিক রোগের জন্য। সেই অপারেশনে হাতের শেলায় কাঁটতে আসছিলাম রাজশাহীতে। আমি তো একে মরা, আবার মরার ওপরে ফাঁড়া। যেন বিপদের ওপরে বিপদ। আল্লাহ কোন রকমে বাঁচিয়ে দিয়েছেন।’
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ রামেক হাসপাতালের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে গোদাগাড়ীতে বাস দুর্ঘটনায় আহত চাঁপাইনবাবগঞ্জের রাজারামপুর এলাকার শফিকুল ইসলাম (৫০) এসব কথা বলেন।
শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘অন্য কোন যায়গায় সময় নিয়ে এতো মাথা ব্যাথা নেই। শুধু বাসের (পরিবহন) কাছে যেন সময়ের অনেক দাম। তাহলে কি সময়ের চেয়ে জীবনের মূল্য অনেক কম। গাড়ি ছাড়ার সময় হলে তারা দেড়িতে ছেড়ে যাত্রী ওঠায়। যাত্রী
ওঠানোর সময় যে সময় নষ্ট হয় সেটা তারা রাস্তায় পুসিয়ে নিতে খুব দ্রুত গাড়ি চালায়। ফলে সামনে কোন গাড়ি পড়লে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। তখন সেটা দুর্ঘটনায় রুপ নেই।’
তিনি বলেন, ‘বাসে উঠে কিছুৃ দূরে এসেছি। আমরা গেটলক গাড়ির তিন সিটে ছেলে পাশে সিটে আমি ও একজন বসে আছে। দু’জনে রাজশাহীতে আসছিলাম। আমার চিকিৎসার জন্য। আমার অনেক দিন আগে আর্সেনিক হয়ে ছিল।

গোটা শরীরের ৫ বার অপরেশন করেছে ডাক্তার আর্সেনিকের জন্য। সেটার রাজশাহীতে চিকিৎসার জন্য আসার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আমার শরীরের চেয়ে মুখের বেশি ক্ষতি হয়েছে। পুড়ো মুখ মাথা আর হাত মিলে ৩৫ থেকে ৪০ টি সেলায় আছে।’
উল্লেখ্য, গত বুধবার রাজশাহীর গোড়াগাড়ীতে বাস ও ট্রাকের সংর্ঘষে তিনজন আহত হন। এতে আরো ২০জন আহত হয়েছেন।
স/আ









