অর্থ ও বাণিজ্য

২০২১ সালে চীনের সঙ্গে ১৮শ’ কোটি ডলারের বাণিজ্য বাংলাদেশের

নিউজ ডেস্ক১৮ মার্চ ২০১৯২ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:

চীন এ দেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার। গত অর্থবছরে দুই দেশের মধ্যে এক হাজার ২৪০ কোটি ডলারের বাণিজ্য হয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে বাণিজ্য এক হাজার ৮০০ কোটি ডলারে পৌঁছবে।

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি ওসামা তাসীরের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত জ্যাং জো শনিবার সাক্ষাৎ করেন। ডিসিসিআই সভাপতি তখন এ তথ্য জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিসিসিআইয়ের সহসভাপতি ওয়াকার আহমেদ চৌধুরী, সহসভাপতি ইমরান আহমেদ, পরিচালক আন্দালিব হাসান, আলহাজ দ্বীন মোহাম্মদ, এনামুল হক পাটোয়ারী প্রমুখ।

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি ওসামা তাসীর চীনের রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ প্রতি বছর চীনে মৎস্য ও হিমায়িত মৎস্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, শাকসবজি, টেক্সটাইল ফাইবার্স, পেপার ইয়ার্ন, ওভেন ফেব্রিক্স, ইলেকট্রিকাল মেশিনারিজ এবং আসবাবপত্র প্রভৃতি পণ্য রফতানি করে থাকে।

চীন ও আশিয়ান অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশ লুক ইস্ট নীতিমালা গ্রহণ করেছে। চীনের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্ক ও কোটামুক্ত সুবিধা প্রদানের আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে চীন সারা বিশ্বের নেতৃত্ব দিচ্ছে। বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন ও চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সুবিধা নিতে আরও বেশি বিনিয়োগের জন্য চীনের উদ্যোক্তাদের আহ্বান জানান তিনি।চীনের রাষ্ট্রদূত জ্যাং জো বলেছেন, সমুদ্র অর্থনীতি খাতে বাংলাদেশের সম্ভাবনা উজ্জ্বল। এ খাতের যথাযথ বিকাশে প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক ও মানবসম্পদের দক্ষতা উন্নয়ন একান্ত অপরিহার্য।

জ্যাং জো জানান, সম্প্রতি বিদেশি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করে নতুন বৈদেশিক বিনিয়োগ নীতিমালা প্রণয়ন করেছে চীন সরকার। এ সুযোগ গ্রহণ করে বাংলাদেশের বিনিয়োগকারীদের চীনে বিনিয়োগের জন্য আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের অবকাঠামো খাতের বৃহৎ প্রকল্পগুলোর উন্নয়ন ও বিনিয়োগে চীন বৃহত্তম অংশীদার। নিকট ভবিষ্যতে এ খাতের নতুন প্রকল্পগুলোতে চীনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। চীনের ২০০টি বড় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি প্রায় ২০০টির মতো ক্ষুদ্র ও মাঝারি চীনা উদ্যোক্তাও এ দেশে বিনিয়োগ করেছেন।