নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহী শহরের প্রাণকেন্দ্রে সোনাদিঘীর পাড়ে অবস্থিত জেলা পরিষদের মালিকানাধীন ‘ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড সার্ভে ইন্সটিটিউটের পুরাতন ভবনের ভূমিতে হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। জেলা পরিষদের সভায় আজ মঙ্গলবার এ নিয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।এতে জানানো হয়, সোনাদিঘীর পাড়ে রাজশাহী জেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণে সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে উপনীত হয়। এছাড়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটি রাজশাহী জেলা পরিষদের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ও অর্থায়নে নির্মাণের সিদ্ধান্ত সভায় গৃহীত হয়।
রাজশাহী জেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও রাজশাহী বাসীর দাবীর প্রেক্ষিতে গতকাল বেলা সাড়ে ১১ টায় অনুষ্ঠিত জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকারের সভাপতিত্বে একটি বিশেষ সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় জেলা পরিষদের সম্মানিত সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান নাঈমুল হুদা রানা, মো: রবিউল আলম, মোসা: নারগীস বিবি; সম্মানিত সদস্য মো: গোলাম মোস্তফা, মো: মোফাজ্জল হোসেন, মো: সফিকুল ইসলাম, মো: আব্দুল মান্নান ফিরোজ, মো: আবু জাফর প্রাং, মো: আসাদুজ্জামান (মাসুদ), মো: আজিবুর রহমান, নূর মোহাম্মদ; সংরক্ষিত সদস্য কৃষ্ণাদেবী, শিউলী রাণী সাহা, রাবিয়া খাতুন, জয় জয়ন্তি সরকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজশাহী মহানগরীর প্রাণকেন্দ্র সোনাদিঘীর পাড়ে একটি দৃষ্টিনন্দন শহীদ মিনার নির্মাণে জনগণের দাবি এবং রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য এবং রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের প্রত্যাশার বিষয়টি গুরুত্বসহ সভায় আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়। সার্বিক পর্যালোচনা শেষে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন যে, সোনাদিঘীর পাড়ে রাজশাহী জেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণ করা হবে।
এছাড়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারটি রাজশাহী জেলা পরিষদের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ও অর্থায়নে নির্মাণের সিদ্ধান্ত সভায় গৃহীত হয়। রাজশাহী মহনগরীর সোনাদিঘী পাড়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার স্থাপনের প্রশাসনিক অনুমোদন গ্রহণ এবং শহীদ মিনার নির্মাণের লক্ষে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ চেয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগে শ্রীঘ্রই পত্র প্রেরণ করা হবে বলেও জানানো হয়।
প্রসঙ্গত সোনাদিঘীর পাড়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণের দাবিতে গত কয়েকদিন ধরে আন্দোলনে নামেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তাতে অংশগ্রহণ করেন সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশাও। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে অবশেষে গতকাল সেখানেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণের ঘোষণা দিলো জেলা পরিষদ।
স/আর








