নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে ১০ বছর পর ইসলামী ছাত্রশিবির একটি প্রকাশ্য মিছিল আয়োজন করেছে। সর্বশেষ ২০১৪ সালে তারা প্রকাশ্যে মিছিল করেছিল।
বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জোহা চত্বরে এসে শেষ হয়।

মিছিলে শিবিরের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন, যেমন- ‘নারায়ে তাকবির’, ‘আল্লাহু আকবর’, ‘ইসলামী ছাত্রশিবির জিন্দাবাদ’, ‘শিবিরের একশন; ডাইরেক্ট একশন’, ‘আল-কোরআনের অপমান, সইবে নারে মুসলমান’, ‘আল-কোরআনের আলো, ঘরে ঘরে জ্বালো’, ‘আমরা সবাই রাসুল সেনা’, ‘ভয় করি না বুলেট বোমা’ ইত্যাদি।
মিছিল শেষে রাবি শিবিরের দপ্তর সম্পাদক হাফেজ মেহেদী হাসান সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, ‘কিছু দুষ্কৃতিকারী গত ১২ জানুয়ারি কুরআনে আগুন দেওয়ার মাধ্যমে আমাদের হৃদয়ে আগুন দিয়েছে। আমরা বলছি, তোমরা ঘুঘু দেখেছো কিন্তু ফাঁদ দেখোনি। তোমরা যে কুরআনে আগুন দিয়েছো, সেই আগুনের স্ফুলিঙ্গে তোমরা ধ্বংস হয়ে যাবে। কোরআনের জন্য যদি শহীদ হতে হয়, আমরা শহীদ হতেও রাজি। তবুও কোরআনের অবমাননা মেনে নেব না।’
এ সময় রাবি শাখা ছাত্রশিবির সভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, ‘কুরআন আমাদের হৃদয়ের স্পন্দন। কুরআনকে পুড়িয়ে আমাদের হৃদয়ে যে আঘাত দেওয়া হয়েছে, মৃত্যু দিয়েও এমন কষ্ট দেওয়া যায় না। কুরআন পোড়ানোর ঘটনায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা গভীরভাবে মর্মাহত। রাবিতে যারা দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করছে, তাদের পরিকল্পনা নস্যাৎ করে কোরআনের বিপ্লব ঘটাবো।’
উল্লেখ্য, গত ১২ জানুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলে ও কেন্দ্রীয় মসজিদে রাতে দুষ্কৃতিকারীরা পবিত্র কোরআন মজিদ পুড়িয়ে দেয়, যার প্রতিবাদে ছাত্রশিবির গতকাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে ৬ শতাধিক কোরআন বিতরণ করেছে।









