রাজশাহীর খবর

রাজশাহী জেলা আ.লীগের ফের পূর্ণাঙ্গ কমিটি পাঠানো হলো কেন্দ্রে

নিউজ ডেস্ক৭ জানুয়ারি ২০২১৩ মিনিট পড়া

জানা গেছে, ২০১৯ সালের ৮ ডিসেম্বর কাউন্সিলে মেরাজ উদ্দিনকে সভাপতি ও আব্দুল ওয়াদুদ সাধারণ সম্পাদকসহ চার সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়। দুই সপ্তাহের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি জমা দিতে কেন্দ্র থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু গত এক বছরেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা সম্ভব হয়নি।

জামায়াত-বিএনপি থেকে আগতদের কমিটিতে পদ দেওয়া-না-দেওয়া নিয়ে এক বছর ধরে বিরোধ চলছিল। অভিযোগ রয়েছে জেলার কয়েকজন এমপি নিজেদের অনুগত হাইব্রিড ও জামায়াত-বিএনপি থেকে আসাদের কমিটিতে পদ পাইয়ে দিতে শুরু থেকেই তৎপর । শেষ পর্যন্ত হাইব্রিডদের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে বিভিন্ন পদ দেওয়াও হয়েছে।

জানা যায়, গত ১৫ নভেম্বর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মিলে ৭৪ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ জেলা কমিটি কেন্দ্রে জমা দেওয়া হয়। কিন্তু কমিটিতে প্রবীণ ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে হাইব্রিড ও অনুপ্রবেশকারীদের প্রায় ৪০টি পদ দেওয়ায় একাধিক অভিযোগ কেন্দ্রে জমা পড়ে।

ফলে গত ৩ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী রাজশাহী জেলা কমিটিকে অনুমোদন না দিয়ে ফেরত দেন। কমিটি বিরোধ নিষ্পত্তিতে ৫ সদস্যের একটি ট্রাইব্যুনালও করে দেন দলীয় প্রধান।

এদিকে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সভাপতি মেরাজ উদ্দিন প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ কমিটির ৩৩ পদে প্রবীণ ও ত্যাগী নেতাদের নাম প্রস্তাব করে একক কমিটি কেন্দ্রে জমা দেন। তবে হাইব্রিড ও অনুপ্রবেশকারীরা হাইকমান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন। তারা কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক নেতাকে ম্যানেজ করে সভাপতির ওপর চাপ তৈরি করে এককভাবে প্রস্তাবিত কমিটি প্রত্যাহারের জন্য।

শেষ পর্যন্ত সভাপতি তার একক কমিটি প্রত্যাহার করে গত ২ জানুয়ারি গত নভেম্বরে জমা দেওয়া প্রস্তাবিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে আবার স্বাক্ষর দেন। ওইদিনই তা কেন্দ্রে জমা দেন। তবে নভেম্বরে জমা দেওয়া কমিটির দু-একটি পদে বদল আনা হয়।

একক কমিটি দাখিলের মাত্র দুই সপ্তাহ পর আবার সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে সমঝোতা করে সেই বিতর্কিত কমিটিতে সায় দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মেরাজ উদ্দিন বলেন, নবীন-প্রবীণের সম্মিলন ঘটিয়ে পুনরায় সংশোধিত আকারে আরেকটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি কেন্দ্রে জমা দেওয়া হয়েছে। আশা করি, এবার কেউ আর অভিযোগ করতে পারবেন না।

স/আর

 

ট্যাগ: