নিজস্ব প্রতিবেদক :
রাজশাহীর গোদাগাড়ীর বিলভ্যালা ও তানোরের বিলজোয়ানীকে দেশের প্রথম জলাভূমিনির্ভর বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হলেও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগের দাবি উঠেছে। অবৈধ দখল, দূষণ, পাখি শিকার ও অনিয়ন্ত্রিত মাছ-শামুক আহরণ বন্ধের পাশাপাশি জলাভূমির সীমানা চিহ্নিতকরণ এবং নিয়মিত নজরদারি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশকর্মীরা।মানচিত্র দেখুন
মঙ্গলবার বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) উদ্যোগে বিলভ্যালা ও বিলজোয়ানী এলাকায় পৃথক মানববন্ধনে এসব দাবি জানানো হয়। এতে বেলা ও রুলফাওয়ের কর্মকর্তা, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ২০২৫ সালের ৭ মে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বিলজোয়ানীর ১ দশমিক ৬৫ একর এবং বিলভ্যালার ১৫ দশমিক ০৮ একর জলাভূমিকে অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হয়। দুই অভয়ারণ্যের মোট আয়তন ১৬ দশমিক ৭৩ একর। জলাভূমি দুটি দেশীয় ও পরিযায়ী পাখিসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণীর গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জলাভূমির জমিতে কৃষিকাজ, পানিপ্রবাহে বাধা, রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের দূষণ এবং নির্বিচারে মাছ ও শামুক আহরণ জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি তৈরি করছে। এসব কর্মকাণ্ড বন্ধে আইনের প্রয়োগ ও নিয়মিত পরিবেশ পর্যবেক্ষণ জরুরি।
বক্তারা অভয়ারণ্য দুটির সীমানা চিহ্নিত করা, সাইনবোর্ড স্থাপন, পানির গুণমান পরীক্ষা এবং পাখি ও জলজ প্রাণীর নিয়মিত জরিপের দাবি জানান। একই সঙ্গে সরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে সংরক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা এবং স্থানীয় মানুষকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানান তাঁরা।
মানববন্ধনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক আশিকুর রহমান সমী, শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান তারেক এবং দৈনিক সোনার দেশ পত্রিকার সম্পাদক আকবারুল হাসান মিল্লাতসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।









