সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :
আপনার হার্ট ভালো রাখতে এবং শরীরের কোলেস্টেরল স্বাভাবিক রাখতে প্রতিদিন আমলকী খান। কারণ আমলকী একটি ভেষজ ফল, যা ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর। এ ফল রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য রক্ষা করে এবং হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে থাকে। এ ছাড়া আমলকী হার্ট ভালো রাখে এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতেও সাহায্য করতে পারে।
আমলকীর মধ্যে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান রক্তে থাকা ‘খারাপ’ কোলেস্টেরলকে অক্সিডাইজ হতে বাধা দেয়। আর এই অক্সিডাইজড কোলেস্টেরলই ধমনিতে জমে প্লাক তৈরি করে, যা হার্ট ব্লক বা স্ট্রোকের কারণ হতে পারে। সে কারণে আমলকী সেই ঝুঁকি কমিয়ে দিতে পারে।

প্রদাহই হৃদরোগের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আর তা কমিয়ে দিতে পারে আমলকী। এটির মধ্যে উপস্থিত পলিফেনল ও ভিটামিন সি শরীরে প্রদাহ কমিয়ে দেয়। শুধু প্রদাহই নয়; রক্তনালির স্বাস্থ্যও রক্ষা করে থাকে আমলকী। পাশাপাশি এটি রক্তনালির অভ্যন্তরীণ প্রাচীর বা এন্ডোথেলিয়াম সুস্থ রাখে, যা রক্ত চলাচল সহজ করে এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।
চলুন জেনে নেওয়া যাক, কীভাবে খাবেন আমলকী—
আয়ুর্বেদে আমলকীকে বলা হয় ‘অমৃত ফল’। শতাব্দী ধরে এটি চোখ, চুল, ত্বক ও হজমশক্তি ভালো রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে। চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে— এই ছোট ফলের গুণ হার্টের কার্যক্ষমতাকে বাড়িয়ে তোলে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে একটি কাঁচা আমলকী বা এক চামচ আমলকীর রস খাওয়া শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। চাইলে শুকনা আমলকীর গুঁড়াও ব্যবহার করা যেতে পারে। আর আমলকী শুধু রোগপ্রতিরোধে নয়, শরীরের সার্বিক ভারসাম্য রক্ষায়ও এক অনন্য ফল। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় আমলকী রাখলে হার্ট থাকবে সুস্থ, আর শরীর পাবে অফুরন্ত এনার্জি।
তবে অতিরিক্ত খাওয়া উচিত হবে না। কারণ এতে এসিডিটি বা পেটের অস্বস্তি হতে পারে। যারা রক্ত পাতলা করার ওষুধ খান বা ডায়াবেটিস রোগী, তাদের অবশ্যই আমলকী খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
সূত্র: যুগান্তর









