বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

মশা মারবে গুগল, ডেঙ্গি থেকে রেহাই কী ভাবে

নিউজ ডেস্ক২৯ নভেম্বর ২০১৮২ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:

মশা মারতে আপাতত গুগলের কামান দাগার দিকেই নজর তামাম দুনিয়ার। ডেঙ্গি, চিকুনগুনিয়ার মতো রোগ দুনিয়া থেকে তাড়াতে তারা বদ্ধপরিকর।

তার মোক্ষম কামড়ের জ্বালা তো রয়েছেই, জীবাণু-বাহিত রোগে আক্রান্ত হওয়া অবশ্য আরও মারাত্মক। মশা। ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া, চিকুনগুনিয়া— মশকবাহিত রোগের তালিকাটা ছোট নয়। এই রাজ্যে এ বছরেও নানা জায়গায় ডেঙ্গির প্রকোপ নিয়ে দুশ্চিন্তা ছড়িয়েছে যথেষ্ট। আশার কথা, এ বার মশা থেকে ছড়ানো রোগের আশঙ্কা পুরোপুরি নির্মূল করার কাজ শুরু হয়ে গেল।

সারা পৃথিবীতেই মশা ও মশাবাহিত রোগ বিনাশ করতে উঠে পড়ে লেগেছে গুগল। প্রকৃতপক্ষে গুগলের মূল সংস্থা ‘অ্যালফাবেট’-এর উদ্যোগেই এই রাজসূয় যজ্ঞ শুরু হয়েছে। প্রযুক্তির সাহায্যে দুনিয়া জুড়ে মশার ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণ করার পরিকল্পনা হচ্ছে।

পরীক্ষামূলক ভাবে কাজ চলছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ফ্রেসনো কাউন্টিতে। ‘ওলবাচিয়া’ নামে এক বিশেষ প্রকার ব্যাকটেরিয়া, যা মানুষ ও অন্যান্য পশুপাখির ক্ষেত্রে ক্ষতিকারক নয়, নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে তা প্রবেশ করানো হচ্ছে পুরুষ মশার শরীরে। এ বার বিপুল সংখ্যক সেই পুরুষ মশা ছাড়া হচ্ছে নানা এলাকায়। মূলত ‘এডিস ইজিপ্টি’ নিয়েই চলছে এই পরীক্ষা।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই প্রোজেক্টের অন্যতম সদস্য ও বিজ্ঞানী জ্যকব ক্রফোর্ড জানান, সামগ্রিক প্রকল্পটি কী ভীষণ সম্ভাবনাময়! তিনি ব্যাখ্যা করে বুঝিয়ে দেন, পুরুষ এডিস মশাগুলি স্ত্রী মশার সঙ্গে মিলিত হলেই কী ভাবে মশকবংশ ক্রমে ধ্বংস হবে! এতে মশার বংশ বিস্তার যেমন রোধ হবে, তেমনই রোগ জীবাণু ছড়ানোর সম্ভাবনাও থাকবে না।

কাজেই মশা মারতে আপাতত গুগলের কামান দাগার দিকেই নজর তামাম দুনিয়ার। আধুনিক কন্ট্যাক্ট লেন্স কিংবা স্বাস্থ্যে আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্সের ব্যবহার— এমন অনেক ক্ষেত্রেই অবদান রেখেছে ‘অ্যালফাবেট’। এ বার ডেঙ্গি, চিকুনগুনিয়ার মতো রোগ দুনিয়া থেকে তাড়াতেও তারা বদ্ধপরিকর।