রাজশাহী

বালুদিয়াড় টেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা ও জালিয়াতির অভিযোগ

নিউজ ডেস্ক৮ অক্টোবর ২০২৫৩ মিনিট পড়া

চারঘাট প্রতিনিধি:

রাজশাহীর চারঘাটে কলেজ কমিটি গঠনে অধ্যক্ষের সে¦চ্ছাচারিতা ও জালিয়াতির কারণে থমকে আছে কলেজটির নিয়মিত কমিটি গঠন। এতে করে শিক্ষক/কর্মচারীসহ এলাকাবাসীর মাঝে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। বিষয়টি গত এক মাস আগে ধরা পড়লেও কলেজটির সভাপতির ায়িত্বে থাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়সারা বক্তব্য বিষয়টি দেখছি। এতে জনমনে দেখা েিয়ছে চরম জটিলতা।
উপজেলার বালুদিয়াড় টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল আমিনের বিরুদ্ধে এমন সে¦চ্ছাচারিতা ও জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, চারঘাট উপজেলার শলুয়া ইউনিয়নের বালুূদিয়াড় টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজটি দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হচ্ছিল এ্যাডহক কমিটি দিয়ে। সেই কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে গত সেপ্টেম্বর মাসের ১০ তারিখে। সেই কমিটির মেয়াদ শেষ হবার ১ মাস আগেই নিয়মিত কমিটি গঠনের বিধান থাকায় কলেজটির অধ্যক্ষ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে নিয়মিত কমিটি গঠনের আবেদন করেন। তার আবেদনের প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরৗেস নিয়মিত কমিটির গঠনের লক্ষে প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার রাশেদুজ্জামান কে দায়িত্ব দেন। প্রিজাইডিং অফিসার রাশেদুজ্জামান নিয়মিত কমিটি গঠনের লক্ষে নির্বাচনের জন্য গত ১৮ আগষ্ট তফসিল ঘোষণা করেন এবং ফরম বিতরণ শুরু করেন। এরপর ৫ জন অভিভাবক সদস্য ও ১ জন দাতা সদস্য ফরম উত্তোলন করেন। ২৫ আগষ্ট যাচাই বাছাই শেষে প্রতিদ্বন্দিতা করার সদস্য না থাকায় ফরম উত্তোলনকারী ৬ জন কে চুড়ান্তভাবে নির্বাচিত করেন প্রিজাইডিং অফিসার। আর পদাধিকার বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সভাপতি নির্বাচিত হোন। এ বিষয়ে প্রিজাইডিং অফিসার চুড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও অধ্যক্ষকে তালিকা প্রদান করেন। কিন্তু অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম চরম সে¦চ্ছাচারিতা ও জালিয়াতি করে প্রিজাইডিং অফিসার রাশেদুজ্জামানের প্রদানকৃত চুড়ান্ত তালিকায় থাকা দাতা সদস্য মাহফুজা বেগমের নাম পুট কাল দিয়ে মুছে সেখানে অধ্যক্ষের পছন্দের লোক হিসেবে পরিচিত জহুরুল ইসলাম নামের এক ব্যাক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত করেন। এরপর ওই তালিকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট পুনরায় জমা দেন অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার চোখে ধরা পড়লে আটকে দেন কমিটির গঠন প্রক্রিয়া। থমকে যায় কলেজটির নিয়মিত কমিটি গঠন। আর এঘটনা কলেজের শিক্ষক/ কর্মচারী ও এলাকাবাসীর মাঝে ছড়িয়ে পড়লে দেখা দেয় চরম অসন্তোষ।

নাম প্রকাশে অনচ্ছিুক একাধিক শিক্ষক জানান, অধ্যক্ষ নুরুল হক ফ্্রুট কালি দিয়ে প্রিজাইডিং অফিসারের প্রস্তুতকৃত াতা সস্যের নাম মুছে দেয়া এটি সম্পুর্ণ রুপে বেআইনী এবং দন্ডনীয় অপরাধ। অধ্যক্ষ নুরুল হক ইতিপুর্বে ৩ বার তাকে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতিসহ সেচ্ছাচারিতা এবং জালিয়াতির কারণে বরখাস্ত করা হয়েছিল। বার বার ক্ষমা পাওয়ার পরেও তিনি পুনরায় এমন সে¦চ্ছাচারিতা ও জালিয়াতি করেই যাচ্ছেন। মাত্র কয়েক মাস আগে তিনি বরখাস্ত থেকে রক্ষা পেয়ে কলেজে যোগদান করেছেন।

বিষয়টি স্বীকার করে অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম বলেন, আমি যেটি করেছি শুধু রাজনৈতিক চাপে পড়ে করেছি। ইউএনও স্যারের কাছে স্বীকারও করেছি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস এর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি দায়সারা বক্তব্য দেখছি বলেই ফোন কেটে দেন।