রাজশাহী

পরিদর্শনেই সীমাবদ্ধ, আড়াই মাসেও সংস্কার হয়নি পদ্মার বাধের রাস্তা

নিউজ ডেস্ক২১ নভেম্বর ২০১৬২ মিনিট পড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আড়ায় মাসেও সংস্কারের কোন কাজ শুরু করা হয়নি। রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সেখেরচক পাচানী মাঠ এলাকার পদ্মাপাড়ের ধসে যাওয়া রাস্তার। এদিকে ধসের কারণে পাশের ভাঙ্গা বাড়িঘর ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে স্থানীয় মানুষরা। আবার ঝুঁকি নিয়ে সেখানেই বসবাস করছে অনেক পরিবারের লোকজন।

 

রাসিক ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই স্থান পরিদর্শন করলেও ধস সংস্কারে কোনো কাজ এখন পর্যন্ত শুরু হয়নি।

 

এর আগে গত ২৯ অক্টোবর ওই এলাকায় হঠাৎ ধস দেখা যায়। শহররক্ষা বাঁধের ওপরের প্রায় ২০০ মিটার সড়ক ধসে দেবে গেছে। এই সড়কের পাশের টাইলস বসানো ফুটপাত করা হয়েছিলো সেইগুলো দেবে গেছে। আর এ্ই রাস্তার সড়ক-সংলগ্ন সাতটি বাড়িতে ফাটল দেখা দেয়। যার মধ্যে তিনটি বাড়ির সীমানাপ্রাচীর রাস্তার সঙ্গেই দেবে গেছে। শুধু তাই নয় ধসের কারণে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটি হেলে পড়েছে। দুর্ঘটনা থেকে বাঁচতে এলাকাবাসী নিজ উদ্যোগে সড়কের দুই পাশে বাঁশ দিয়ে বেঁধে দিয়েছেন।

 

সোমবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ধসের পাশের বাড়িগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। সেই এলাকার কিছু বাড়িতে কয়েকজন কাজ করছিলো। এদের মধ্যে একজন বাড়ির মালিক ইদ্রিস আলী। তখন ইট টানার কাজ করছেন। তিনি বলেন, ভাঙ্গনের পর থেকেই আমরা পরিবারের লোকজন নিয়ে টিকাপাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় উঠেছেন। সেখানেই আপাততো থাকতে হচ্ছে। এখানে তো ভেঙ্গ পরে আছে আর এখানে প্রয়োজনিয়ও অনেক কিছু আছে তাই দিনের বেলায় এখানে থাকেতে হচ্ছে আর সন্ধ্যা হলে আবার টিকাপাড়ার ভারা বাড়িতে ফিরে যেতে হচ্ছে। যাচ্ছি। দিন দিনের বেলা ভাঙা বাড়িতে এসে রান্না করে খাবার খেয়ে সন্ধ্যায় আবার ভাড়া বাড়িতে চলে যান।

 

আনোয়ার হোসেন বলেন, এলাকার মানুষ খুবই আতঙ্কে আছে। মানুষজন এদিক দিয়ে চলাচল করতেও ভয় পাচ্ছে। কিন্তু প্রশাসনের কেউ কিছু করছে না, সবাই খালি দেখে যায়। তারা কোন ব্যবস্থা নেই না।

 

রাজশাহীর পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘রাস্তা যেটা ধসে পড়েছে সেটা সিটি করপোরেশন দেখবে। বাঁধের যে অংশটুকু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা মেরামতের জন্য নকশা জমা দিয়েছেন। অর্থ বরাদ্দের জন্যও আমরা ঢাকায় আবেদন জানিয়েছি। নকশা অনুমোদন করে অর্থ বরাদ্দ হলেই আমরা কাজ শুরু করতে পারব।’

 

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল আলম বলেন, ‘নদী শাসনের নিতি ঠিক করা হলে তার পরে আমরা উদ্যাগে নিবো। আর পাউবো তা ঠিক করে দিলে আমরা রাস্তা মেরামতের কাজ শুরু করতে পারব।’

 

 

স/আ