নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহী সেফহোমে খাদ্যে বিষক্রিয়ায় এক প্রতিবন্ধির মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও অসুস্থ হয়ে আরো অন্তত ২০ জন চিকিৎসা নিয়েছে। তাদের মধ্যে এখনো রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে সাতজন। ঘটনাটি ঘটে রাজশাহীর পবা উপজেলার বায়া সেফ হোম এলাকায়। তবে সেফহোম কর্তৃপক্ষ খাদ্যে বিষক্রিয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীনদের মধ্যে ৫জনের নাম পাওয়া গেছে। তারা হলেণ, পপি খাতুন (১৭), জান্নাতুন খাতুন (১৭), তারা বেগম (৩০), অজুফা বেগম (৫০) ও রহিমা বেগম (২৫)।
জানা গেছে, গত বুধবার দিবাগত রাতের খাবার খেয়ে বায়া সেফহোমে আশ্রয় নেওয়া মানসিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী সাতজন শিশুসহ আরো কয়েকজন কিশোরী ও বৃদ্ধ খাদ্যে বিষক্রিয়ায় আন্ত্রান্ত হয়। তাদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় সাতজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেকে) ভর্তি করা হয়।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওইদিন রাতেই মিনতী রাণী (৩৫) নামের একজন প্রতিবন্ধি মারা যান। তবে বিষয়টি গোপন রাখে সেফহোম কর্তৃপক্ষ। তবে বিষয়টি শুক্রবার দিবাগত রাত ১০টার পরে জানাজানি হয়।
জানা গেছে, সেফহোমটিতে বর্তমানে ৭৪ জন হেফাজতি রয়েছে। অথচ একটি সেডের ধারণক্ষমতা ৫০ জনের। আশ্রয় নেওয়া ৫৪ জনই হলো প্রতিবন্ধী।
অভিযোগ রয়েছে, সেফহোমের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে হেফাজতিদের খাবার সরবরাহ, চিকিৎসা প্রদান ও পথ্য সরবরাহে নানা অনিয়ম করছেন। এছাড়া তারা এসব হেফাজতিদের বিভিন্নভাবে নির্যাতন করেও থাকেন।
এদিকে খাদ্যে বিষক্রিয়া এবং একজনের মৃত্যু বিষয়ে তত্ববধায়ক আবু তাহের বলেন, হঠাৎ করেই সাতজন হেফাজতি অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। সাথে সাথেই তাদেরকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে মানসিক প্রতিবন্ধী মিনতী রানী মারা যান।
তবে খাদ্যে বিষক্রিয়া নয় ডায়রিয়ায তারা আক্রান্ত হয়ে ওই প্রতিবন্ধি মারা গেছেন-যোগ করেন ওই কর্মকর্তা।
স/আর









