পঞ্চগড় সদর উপজেলার ভারতীয় সীমান্তবর্তী গ্রাম মুহুরীজোত। গ্রামজুড়ে চা বাগান আর ছোট ছোট ঝোপঝাড়ে লুকিয়ে আছে বাঘ। বাঘটিকে এলাকাবাসী বেশ কয়েকদিন থেকে দেখতে পাচ্ছেন।
গত বুধবার বাঘটি গ্রামের এক কৃষকের হাত থেকে ছিনিয়ে নেয় একটি গরু। কৃষক পালিয়ে গেলেও গরুটিকে দূরে নিয়ে গিয়ে মেরে ফেলে বাঘটি। এ নিয়ে মুহুরীজোতসহ আশপাশের কয়েক গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ বাঘ আতঙ্কে আছেন।
স্থানীয়রা দল বেঁধে রাতজেগে গ্রাম পাহারা দিচ্ছেন। বাঘের সংখ্যা নিয়েও চলছে আলোচনা। কেউ বলছেন, একটি আবার কেউ বলছেন দুটি।

বাঘ লুকিয়ে থাকার খবরটি নিশ্চিত হয়ে এরই মধ্যে বনবিভাগ নানা উদ্যোগ নিয়েছে। বাঘকে না মারার জন্য গ্রামগুলোতে মাইকিং করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকালে বাঘকে ধরার জন্য দিনাজপুর এবং ঢাকা থেকে একটি দল সেখানে পৌঁছায়। আশপাশের চা বাগান ও বনজঙ্গলে কয়েক ঘণ্টা খোঁজাখুঁজি করেও দেখা মেলেনি বাঘের। তবে জঙ্গলের আরও গভীরে অথবা মাটির গর্তে লুকিয়ে আছে কি না তা নিশ্চিত করার জন্য শিকারি দলটি শুক্রবার সকাল কাজ শুরু করেছে।
ধারণা করা হচ্ছে একটি পরিত্যক্ত চা বাগানে লুকিয়ে আছে বাঘটি। এখন পরিত্যক্ত চা বাগানটি কেটে বাঘ খোঁজা হচ্ছে। আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে দর্শনার্থীরা ভীড় করছেন বাঘকে একপলক দেখার জন্য।
শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত বাঘের দেখা মেলেনি। বাঘ খোঁজার জন্য এলাকাবাসীর সহযোগিতা চেয়েছে বনবিভাগ। সেইসঙ্গে বাঘকে হত্যা না করার নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার ওই এলাকা পরিদর্শন করেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার সাদাত সম্রাট, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদর্শন কুমার রায়, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আব্দুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম, সহকারী বন সংরক্ষক শাহীন কবিরসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন








