রাজশাহী

নিত্যপণ্যের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে তামাক ও টেলিকম খরচ, নীরব ভোক্তারা

নিউজ ডেস্ক১৩ জুন ২০২৬২ মিনিট পড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক :

দেশে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির পাশাপাশি তামাকজাত পণ্য ও মোবাইল সেবার খরচও ধারাবাহিকভাবে বেড়ে চলেছে।

সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশ প্রতিদিনের ব্যয়ের উল্লেখযোগ্য অংশ সিগারেট, বিড়ি ও অন্যান্য তামাকজাত পণ্যের পেছনে ব্যয় করলেও এসব পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে দৃশ্যমান কোনো আন্দোলন, মানববন্ধন বা জনমত খুব একটা দেখা যায় না।

সচেতন মহলের মতে : তামাকজাত পণ্যের ওপর কর বৃদ্ধি জনস্বাস্থ্য রক্ষার একটি সরকারি কৌশল হলেও এর ফলে নিয়মিত ব্যবহারকারীদের ব্যয়ও বাড়ছে। প্রতি বছর বাজেটের পর বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সিগারেটের দাম বৃদ্ধি পেলেও ভোক্তারা অনেকটা নীরব থাকেন। ফলে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব সরাসরি তাদের জীবনযাত্রার ওপর পড়ে।
অন্যদিকে দেশের টেলিযোগাযোগ খাত নিয়েও ভোক্তাদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে।

মোবাইল অপারেটরগুলো নির্দিষ্ট মেয়াদে মিনিট, ইন্টারনেট ডাটা ও বিভিন্ন প্যাকেজ বিক্রি করে থাকে। গ্রাহকরা অর্থ পরিশোধ করে সেবা কিনলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবহার না করলে সেই সেবা বাতিল হয়ে যায়। এতে অনেকেই নিজেদের আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত মনে করেন।
ভোক্তাদের অভিযোগ : কলরেট, ইন্টারনেট প্যাকেজ ও বিভিন্ন চার্জের কারণে মাসিক ব্যয় ক্রমেই বাড়ছে। একই সঙ্গে অনেক গ্রাহক মনে করেন : তারা যে সেবা কিনছেন তা সম্পূর্ণ ব্যবহার করার সুযোগ সব সময় পান না। ফলে তাদের কষ্টার্জিত অর্থের একটি অংশ অপচয় হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে:  তামাক ও টেলিকম—দুই খাতেই ভোক্তা অধিকার, সেবার মান এবং মূল্য নির্ধারণ নিয়ে আরও বেশি জনসচেতনতা ও আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। একই সঙ্গে ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণে সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করার দাবিও জোরালো হচ্ছে।
সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, যখন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি নিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রতিবাদ হয়, তখন তামাকজাত পণ্য ও টেলিকম সেবার ক্রমবর্ধমান ব্যয় নিয়ে কেন জনপরিসরে তেমন কোনো আলোচনা বা প্রতিবাদ দেখা যায় না? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে ভোক্তারা।