রাজশাহী

তাপমাত্রা নেমে ৫ দশমিক ১ ডিগ্রিতে : শীতে কাঁপছে রাজশাহী

নিউজ ডেস্ক১৪ জানুয়ারি ২০১৭২ মিনিট পড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। সঙ্গে হুহু বাতাস। দুইয়ে মিলে তীব্র শীতে কাহিল করে ফেলেছে উত্তরের জনপদ রাজশাহীবাসীকে। আজ সকালে বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৫ দশকি ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল শুক্রবারের চেয়ে ৪ দশমিক ১ ডিগ্রি তাপমাত্রা কমেছে মাত্র ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে। যা চলতি বছরের এটিই ছিল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

 

  • এদিকে তাপমাত্রা হঠাৎ করে নিচে নেমে যাওয়ায় শীতে কাহিল হয়ে পড়ে সাধারণ মানুষসহ প্রাণীকূল। শীত নিবারণ করতে অনেককে খুড়কুটো জ্বালিয়ে রাখতে দেখা যায়। কিন্তু ছিন্নমূল বা খেটে খাওয়া হতদরিদ্র মানুষের মাঝে তেমন সাহায্য নিয়ে হাত বাড়ানোর তেমন কোনো খবর পাওয়া যায়নি। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন এসব মানুষরা। ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস।

 

ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, তাপমাত্রা নিচে নামার পাশাপাশি উত্তরের হিমেল হাওয়া মানুষকে ঠান্ডার পরিমাণ আরো কয়েকগুন বেড়ে যায়। আগামী দুই-একদিন এইরকম ঠান্ডা থাকতে পারে বলেও জানান তিনি।

এদিকে তীব্র শীতে অতিষ্ঠ রাজশাহীসহ গোটা উত্তরাঞ্চলের মানুষ। যেন শীতে কাঁপছে ঠনঠন। এমনই অবস্থা বিরাজ করছে গত তিন দিন ধরে। আগের দিন শুক্রবার সকালে বছরের সর্বনিন্ম তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল যেখানে ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেখানে একদিনের মাথায় কমে আরো নিচে নামে ৫ দশমিক ১ ডিগ্রিতে।

 

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, তীব্র শীতের কারণে কাতর হয়ে পড়েছেন কর্মজীবিরা থেকে শুরু করে শিশু ও ছিন্নমূল মানুষগুলো। শীতের কারণে মানুষের চলাফেরা ও কার্যক্রমে দেখা দিয়েছে স্থবিরতা। ভোর থেকে অনেককে খড়কুটো সংগ্রহ করে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করতে দেখা গেছে। শীতের কারণে ঠান্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বৃদ্ধ ও শিশুরা।

 

  • নগরীর কাদিরগঞ্জ এলাকার বাসীন্দা হুসনে আরা খাতুন বলেন, ‘এতো শীত তাও একটিও গরম কাপড় কেউ দিয়ে গেল না। এখন কাপড় না পেলে কখন পাবো। এই মীতে মানুষ সাহায্যের হাত না বাড়ালে আমারা কি দিয়ে শীত তাড়াবো। তাই কখনো আগুন জ্বালাইয়ে আবার কখনো ঘরের মধ্যে বসে থেকে শীত তাড়ানোর চেষ্টা করছি। কিন্তু গরম কাপড় গায়ে জড়াতে পারছি না।’

 

দরিখরবোনা এলাকার বাসীন্দা মকলেছুর রহমান বলেন, ‘শীতে ঘরের বাইরেই যেতে পারছি না। আবার রিকশা না চালালেও তো পেটের ভাত জুটে না। কি করবো তারপরেও সকালে বাড়িতেই বসে থাকছি। দুপুরের দিকে বাড়ির বাইর হচ্ছি। এই শীতে গরম কাপড় না হলে বাড়ির বাইরে বের হওয়ার উপয়া নাই। তাই বের হতে পারছি না।’

স/আর