নিজস্ব প্রতিবেদক:
পাবনা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. জাহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ভুক্তভোগী চিকিৎসকের নাম ডা. সুমাইয়া শান্তা।

হাসপাতাল ও সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, গত সোমবার (২১ জুলাই) মধ্যরাতে ডায়রিয়ার সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা বাশের হাসান (৪৫) নামে এক রোগী। তার কিডনিজনিত সমস্যাও ছিল। এরপর মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে স্বজনরা চিকিৎসকের খোঁজে ছুটতে থাকেন।
এ ঘটনায় ওই চিকিৎসকের ওপর চড়াও হন রোগীর স্বজনরা।
তিনি আরো বলেন, ‘আমি একটি প্রশাসনের অধীনে সেখানে কাজ করি। আমি চাইব আমার প্রশাসন এ বিষয়টি হ্যান্ডেল করুক। বিষয়টি নিয়ে আমি খুবই ট্রমাটাইজড, এর বেশি কিছু বলতে চাই না।’
রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, এ হাসপাতালে কোনো চিকিৎসা হয় না। রোগীর অবস্থা খারাপ হলেও চিকিৎসক পাওয়া যায় না। চিকিৎসা দিতে অবহেলা করে চিকিৎসক ও নার্সরা। এসবের কারণে তাদের রোগী মারা গেছে। আবার মারা যাওয়ার পর মরদেহ হস্তান্তর না করে ঠেকিয়ে রাখা হয়। এগুলোর বিচার হওয়া উচিত।
পাবনা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘রোগীর অবস্থা শুনে সঙ্গে সঙ্গে ইন্টার্ন চিকিৎসক চিকিৎসা দিতে ছুটে গিয়েছিলেন। সেখানে তাকে অসহযোগিতা করেন রোগীর স্বজনরা। মারধরও করেন। রোগীকে চিকিৎসা দেওয়ার পরও মারা গেলে আবারও চিকিৎসককে মারধর করেন। পুরো ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘চিকিৎসা দিতে কোনো ধরনের অবহেলা করা হয়নি। রোগীর পরিস্থিতি অনুযায়ী চিকিৎসকরা চিকিৎসা দিয়েছেন। রোগী মারা যাওয়ার পর তারা ভিন্ন এক পরিস্থিতি সৃষ্টি করায় মরদেহ হস্তান্তরে কিছুটা সময় লেগেছে। পুরো ঘটনায় হাসপাতালের কোনো অবহেলা নেই। হাসপাতালের পক্ষ থেকে বিষয়টি থানাকে জানানো হয়েছে।’
পাবনা সদর থানার ওসি আব্দুস সালাম বলেন, ‘উভয়পক্ষই বিষয়টি আমাদের জানালেও কেউই লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’









