সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :
আমাদের মধ্যে অনেকেরই পিঠে-ঘাড়ে টনটন করে ব্যথা হয়। বিশেষ করে যারা বসে বসে কাজ করেন তারা এই সমস্যায় বেশি ভোগেন। তাই এই ধরনের যন্ত্রণা হলেই বেশিরভাগ মানুষ ভেবে নেন, ঘাড় গুঁজে কাজ করা, ভুলভাবে শোয়া বা দীর্ঘক্ষণ ল্যাপটপ ব্যবহারের জন্যই এমনটা হচ্ছে।
আবার বেশিক্ষণ ঘাড় নিচু করে মোবাইল ব্যবহার করলেও এমনটা হতে পারে।

কিন্তু অনেকেই ভাবতে পারেন না, এই একই ধরনের যন্ত্রণা কখনো কখনো কোনো গুরুতর রোগের ইঙ্গিতও হতে পারে। চিকিৎসকরা মনে করছেন, এমন যন্ত্রণা ও ক্লান্তি ক্যান্সারের প্রাথমিক হতে পারে।
আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির তথ্য অনুসারে, শরীর কিছু বিশেষ সংকেতের মাধ্যমে ক্যান্সারের ইঙ্গিত দেয়। তা অনেক সময়ই ধরতে পারেন না রোগী।
প্রথমে এটা সাধারণ পেশির যন্ত্রণার মতো মনে হয়, কিন্তু ধীরে ধীরে এই লক্ষণগুলো বাড়তে থাকে। ঘাড়ে-পিঠে ব্যথার সঙ্গে সঙ্গে যদি নিচে লিখিত কয়েকটি লক্ষণ দেখা যায়, তাহলে সতর্ক হতেই হবে।
কোনো কারণ ছাড়াই ওজন কমে যাওয়া।
রাতের বেলা অবিরাম ঘাম হওয়া।
ঘাড় বা কাঁধে যন্ত্রণা ও ফোলাভাব।
ক্লান্তি কাটতে না চাওয়া এবং দুর্বলতা বেড়ে যাওয়া।
বারবার জ্বর আসা।
কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন
ঘাড় বা কাঁধের যন্ত্রণা, যা বিশ্রাম নিলেও সারে না।
অবিরাম ওজন কমে যাওয়া।
বারবার জ্বর আসা বা কুলকুল করে ঘাম হওয়া এবং
ঘাড়ের আশপাশে গাঁটের মতো ফোলাভাব থাকা।
তাড়াতাড়ি ডায়াগনোসিস করালে ক্যান্সার প্রাথমিক পর্যায়েই ধরা পড়ে। তার চিকিৎসা করা যেতে পারে। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শ, এই ধরনের বড় বিপদ এড়াতে
নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান।
সুষম আহার ও হাইড্রেশন এর দিকে নজর দিন।
ধূমপান ও মদ্যপান থেকে দূরে থাকুন।
নিয়মিত ব্যায়াম ও যোগা করুন এবং
শরীরে হওয়া পরিবর্তনগুলোর ওপর নজর রাখুন।
ঘাড় ও কাঁধের যন্ত্রণা শুধু ক্লান্তি বা ভুল পজিশনের ফল হতে পারে না। এটা কখনো কখনো গুরুতর রোগের লক্ষণ হতে পারে। তাই সতর্ক থাকা এবং সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সঠিক পদক্ষেপ।









