সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:
ফিকশনে একটু ব্যস্ত হয়েছি। ‘মাটি’র শুটিং শুরুর আগে পাঁচ-ছয়টি নাটকে অভিনয় করেছিলাম। আগামী মাসেও আরো কয়েকটি নাটকের শুটিং আছে। বলতে পারেন নাটকের সাইডে একটু ব্যস্ত হতে চাই।
আরেকটা বড় সিরিজ হাতে নিয়েছি ‘অ্যামাজন প্রাইম’-এর। তবে বিস্তারিত এখনই বলতে চাই না

এক মাস ধরে মহেশপুরে ‘মাটি’ শুটিং করছেন। অভিজ্ঞতা কেমন?
এখানকার মানুষ অনেক সহযোগিতাপরায়ণ। সাধারণত শুটিং করতে গেলে মানুষ জটলা পাকায়, অনেক সময় ফ্রেমের মাঝে চলে আসে।
এখানে সেটা হচ্ছে না। আমরা ফ্রেম ধরার পর তাদের বললে খুবই শৃঙ্খলভাবে সরে দাঁড়ায়। চুপচাপ শুটিং দেখে, কাউকে ডিস্টার্বও করে না। মহেশপুর তো দারুণ একটা জায়গা।
এখানে ফুলের চাষ হয়, পাশে ইছামতি নদী। একপাশে ভারত, একপাশে বাংলাদেশ বর্ডার। এক কথায় খুবই মনোরম।
আপনি তো কম কাজ করেন। ‘মাটি’ ছবিটা বেছে নিলেন কেন?
এটা ঠিক বলেছেন, কাজের ব্যাপারে আমি ভীষন চুজি।
এই ছবিটায় আমি শেষ মুহূর্তে লক হয়েছি। নির্মাতা সৈয়দ শমসের তারিফ প্রায় দুই বছর ধরে অভিনেতা ও কলাকুশলী নিয়ে বৈঠক করেছেন। এরপর সব লক হওয়ার পর আমাকে নক দিয়েছেন। আমি গল্পটা শুনে চমকে গিয়েছি। যেখানে মানুষ এখন নাচে-গানে ভরপুর ছবি করতে ব্যস্ত সেখানে তিনি মাটি ও মানুষের গল্প বলতে চাইছেন। আমার চরিত্রটাও দারুণ, একজন ফ্লাওয়ার রিচার্সারের। মনে হলে অন্যরকম কিছু হবে। তাই ছবিটি করছি।
আপনার সহশিল্পী কে?
আলভী মামুন। সেও ছবিতে প্রথম কাজ করছে। খুব চুপচাপ স্বভাবের, সব সময় চরিত্রের মধ্যে ডুবে থাকে। তবে অনস্ক্রিনে আমাদের কেমিস্ট্র দর্শকের ভালো লাগবে।
‘নির্জন স্বাক্ষর’ কবে মুক্তি পাবে?
এটা নিয়ে আমি আর খায়রুল বাশার অপেক্ষায় আছি। ছবিতে সে আমার সহশিল্পী। দুজনে প্রায়ই আলোচনা করি কবে ছবিটা মুক্তি পাবে। পরে জানলাম রাজনৈতিক অস্থিরতার জন্য নির্মাতা অপেক্ষা করছেন। যতদূর মনে হয়, নির্বাচনের পরপরই ছবিটা মুক্তি পাবে।
সম্প্রতি ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বায়োস্কোপে আপনার অভিনীত ‘প্ল্যান বি’ মুক্তি পেয়েছে। কেমন সাড়া পেলেন?
অনেকেই প্রশংসা করেছেন। আমি তো সব সময় কম কাজ করি। তবে যেটা করি মনোযোগ দিয়ে করি। আমার দিক থেকে শতভাগ চেষ্টা থাকে ভালো করার। ওয়েব ছবিটির নির্মাণও নিয়েও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ লেখালেখি হয়েছে। সেগুলোও চোখে পড়েছে, ভালো লেগেছে।
আপনার পডকাস্ট ‘শি’ও তো বেশ সাড়া ফেলেছে…
প্রথমে ভেবেছিলাম অনেকেই পডকাস্ট করছেন। সবার মতো হলে তো আমারটা কেউ দেখবে না। তাই ভাবলাম অন্য রকম কিছু করি। আমার মনে হলো দেশে যেসব নারী সফল। অন্যের জন্য অনুপ্রেরণা হতে পারেন তাদের নিয়েই শোটা করি। আমার শোতে এখন পর্যন্ত নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক থেকে শুরু করে শোবিজের সাফা কবির আপু, মন্দিরা চক্রবর্তীসহ অনেকেই এসেছেন। এর মধ্যে ১০টি পর্ব প্রচারিত হয়েছে। সফল হয়েছে বলেই এখন দ্বিতীয় সিজনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। মহেশপুর থেকে ফিরে শুটিং শুরু করব।
আর কী কী করছেন?
ফিকশনে একটু ব্যস্ত হয়েছি। ‘মাটি’র শুটিং শুরুর আগে পাঁচ-ছয়টি নাটকে অভিনয় করেছিলাম। আগামী মাসেও আরো কয়েকটি নাটকের শুটিং আছে। বলতে পারেন নাটকের সাইডে একটু ব্যস্ত হতে চাই। আরেকটা বড় সিরিজ হাতে নিয়েছি ‘অ্যামাজন প্রাইম’-এর। তবে বিস্তারিত এখনই বলতে চাই না। এটা দেশি প্রজেক্ট না বিদেশি প্রজেক্ট সেটা নিয়ে আরেক দিন আলাপ করা যাবে।









