আন্তর্জাতিক

কার্বন ডাই অক্সাইডেই বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ছে না : ইপিএ প্রধান

নিউজ ডেস্ক১০ মার্চ ২০১৭২ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:

মার্কিন পরিবেশ নিরাপত্তা সংস্থা (এনভায়রনমেন্টাল প্রটেকশন এজেন্সি-ইপিএ) প্রধান স্কট প্রুইত বলেছেন, তিনি বিশ্বাস করেন না যে শুধু কার্বন ডাই অক্সাইডই বৈশ্বিক উষ্ণতায় মুখ্য ভূমিকা রাখছে। সিএনবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, জলবায়ুর পরিবর্তনে মানুষের ভূমিকা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। তবে কিছু বিষয় একদমই মেনে নেওয়া যায়না।  এই বিষয়ে আলোচনা চলতে থাকা জরুরি বলে মনে করেন তিনি।

 

তবে ইপিএর ওয়েবসাইটে বলা হয়, গ্রিনহাউস ইফেক্টের জন্য কার্বন ডাই অক্সাইডই দায়ী। জানুয়ারিতে নাসা ও মার্কিন ওশেনিক এন্ড এটমসফেয়ারিক এডমিনিস্ট্রেশনও জানায়, অতিরিক্ত কার্বন ডাই অক্সাইডের কারণেই বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০১৬ সালে পৃথিবীর তাপমাত্রা সবচেয়ে বেশি ছিলো বলে জানায় সংস্থা দুটি।

 
প্রুইতের এই মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন অনেক বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞরা। তবে মার্কিন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রুইতের মন্তব্য একদমই অবাক করার মতো নয়। টেক্সাস টেক ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ক্যাথরিন হায়হো বলেন, রিপাবলিকানরা এমন মন্তব্য করেই থাকে।

 

প্রুইতের মন্তব্য খুব একটা প্রভাব ফেলবে না বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। কারণ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় ইপিএ খুব বেশি অর্থ সহায়তা করেনা। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এটি অন্যান্য দেশের মতোই একটা সংস্থা। তবে তাদের কার্যক্রম কিছুটা ভিন্ন।

 

অধ্যাপক হায়হো মনে করেন, কার্বন ডাই অক্সাইড নিয়ে প্রুইতের মন্তব্যে ধোঁয়াশা তৈরি হবে। এছাড়া তাদের বাজেট কমে যাওয়াতে বেশ কিছু প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাবে। এবং পরিবেশগত প্রভাব পড়বে। গত মাসে দায়িত্ব পাওয়া প্রুইতকে নিয়ে শুরু থেকেই চলছে বিতর্ক। ওক্লাহোমার সাবেক এই অ্যাটর্নি জেনারেল এই সংস্থার বিরুদ্ধে অনেকদিন মামলা লড়েছিলেন।

 

সিয়েরা ক্লাবের নির্বাহী পরিচালক মাইকেল ব্রুন বলেন, ‘আগুন লাগানোর ব্যক্তিই এখন ফায়ার সার্ভিসের প্রধান। ডেমোক্রেট সিনেটর ব্রায়ান ম্যাটস বলেন, প্রুইত যেন সত্যিকেই অস্বীকার করলেন।’ ২০১২ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পও বলেছিলেন জলবায়ু পরিবর্তন বলে কিছু নেই। পরে অবশ্য গত নভেম্বরে তিনি বলেছিলেন, মনুষ্যসৃষ্ট কারণে জলবায়ু পরিবর্তন হতে পারে।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন