
নিজস্ব প্রতিবেদক:
অবশেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে সরকারি গাড়িতে করে প্রায় ৬৫ বোতল ফেনসিডিল বহনকারী রাজশাহী জেলা পরিষদের সেই প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (উপসচিব) নুরুজ্জামানকে। মাদক দ্রব্য আইনে মামলা দায়েরের পর শনিবার বিকেলে তাকে এবং তার সহযোগি ওয়াহিদুজ্জামানকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আমলি আদালতে হাজির করা হয়। আদালতের বিচারক আবু কাহার তাদের দুজনকেই কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে বিকেল চারটার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সার্কিট হাউজ থেকে উপসচিব নুরুজ্জামান এবং তার সহযোগী ওয়াহিদুজ্জামানকে সরকারি গাড়িতে রাখা প্রায় সাড়ে ৬ লিটার ফেনসিডিলসহ গ্রেপ্তার করা হয়।
একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, উপসচিব নুরুজ্জামানসহ তার সহযোগী ওয়াহিদুজ্জামান দুজনেই ফেনসিডিল সেনকারী। তাদের কাছের বন্ধুরা যানে তারা ফেনসিডিলখোর হিসেবে। গাড়িতে রাখা ফেনসিডিলগুলো ছিলো তাদের সেবনের জন্য।

এদিকে মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে রাজশাহী বিভাগীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক জাফরুল্লাহ কাজল বলেন, গ্রেপ্তারকৃত দুজনের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা করা হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে দুজনকে আসামি করে মামলাটি করেন। ওই মামলায় দুজনকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাদের জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
জানা গেছে, উপসচিব নুরুজ্জামানের বাড়ি পাবনা সদর এলাকার পশ্চিম শালগাড়ি গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে। আর ওয়াহিদুজ্জামানের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জের কানসাট উপজেলায়।
প্রসঙ্গত, মাদক বিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে বীরশ্রৈষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গির সেতু টোলঘর এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় রাজশাহী জেলা পরিষদের একটি পাজেরো জিপ গাড়িতে (রাজ মেট্রো ঘ-১১-০০৭১) তল্লাশী চালানো হয়। এরপর গাড়ির ভেতর একটি ব্যাগে ৫ টি কোকাকোলার বোতল ভর্তি লুজ ফেনসিডিলসহ তাদের আটক করা হয়। পরে তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ সার্কিট হাউসে নিয়ে যাওয়া হয়।
স/আর








