সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:
কলড্রপ বন্ধে ব্যবস্থা নিতে ও তার জন্য কোন ধরনের চার্জ না কাটতে মোবাইল কোম্পানিগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট।
গ্রাহকদের মতামত উপেক্ষা করে মোবাইল কলচার্জ বৃদ্ধি, কলড্রপে ক্ষতিপূরণ না দেওয়া এবং বিরক্তিকর এসএমএস পাঠানোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বুধবার হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়।

বৃহস্পতিবার ওই রিট আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্টের বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ারদীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এছাড়াও রিটে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের অধিকার সুরক্ষায় বিবাদীদের ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে রুল জারি এবং বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করে মোবাইল গ্রাহকদের অধিকার তত্ত্বাবধায়ন, পর্যবেক্ষণ এবং সুরক্ষায় কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।
টেলিযোগাযোগ সচিব, বিটিআরসির চেয়ারম্যান ও সেক্রেটারি, মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন, এয়ারটেল, রবি, বাংলালিংক ও টেলিটকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে।
গতকাল বুধবার করা ওই রিটে কলড্রপে গ্রাহকদের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ ও ক্ষতিপূরণ দিতে পৃথক কমিটি গঠনের আর্জিও জানানো হয়।
পাশাপাশি পুনরায় কলরেট ও অন্যান্য চার্জ বাড়ানো এবং মোবাইল গ্রাহকদের অনাবশ্যক ক্ষুদে বার্তা পাঠানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে।
আইন সাংবাদিকদের সংগঠন ল’ রিপোটার্স ফোরামের সদস্য এম. বদিউজ্জামান, মেহেদী হাসান ডালিম, মোবাইল ফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমদ ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রাশিদুল হাসান ‘জনস্বার্থে’ এই রিট আবেদন করেছেন।









