সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:
ওয়্যারলেস প্রযুক্তির কারণে হেডফোনের আকার ও ব্যবহার সহজ হয়েছে।
তার যুক্ত হেডফোনের বদলে তাই অনেকেই এখন ওয়ারলেস হেডফোন বা এয়ার বাডস কেনার দিকে ঝুঁকছেন। নকিয়া, সনি, স্যামসাং, অ্যাপলসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ওয়্যারলেস হেডফোন রয়েছে বাজারে।

ওয়্যারলেস হেডফোন কেনার আগে যে কয়টি বিষয় মাথায় রাখা জরুরি তা নিয়েই আলোচনা করা হলো এই ফিচারে।
কানেক্টিভিটি
অনেকগুলো কানেক্টিভিটি অপশন থাকলে দ্রুত ডিভাইসটি অন্য ডিভাইসের সঙ্গে যুক্ত করা যাবে। তাই অনেক হেডফোনেই এখন নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন প্রযুক্তি (এনএফসি) থাকছে। এছাড়া, কেনার সময়ও ব্লুটুথ কানেক্টিভিটি পরীক্ষা করতে হবে।
ব্যাটারি ব্যাকআপ
চার্জিং কেইসের মাধ্যমে ওয়্যারলেস হেডফোনগুলো চার্জ করা হয়। তাই চার্জিং কেইসগুলোতে এক বার চার্জ দিলে ১২ ঘণ্টার ব্যাকআপ পাওয়া যাবে কিনা তা জেনে নিতে হবে। অন্তত তিন ঘণ্টা ব্যাটারি ব্যাকআপ দেবে এমন হেডফোন কেনা ভালো।
ঘাম ও পানি নিরোধী
দাম বেশি পড়লেও ঘাম ও পানি নিরোধী হেডফোন কেনা ভালো। পানি নিরোধী হলে বৃষ্টির মধ্যেও এটি ব্যবহার করা যাবে। ব্যায়ামের সময়ও ঘামে ভিজে নষ্ট হবে না।
নয়েজ ক্যান্সেলেশন
এই ফিচার থাকলে বাইরের শব্দ কানে প্রবেশ করে না। এতে ভিড়ভাট্টা হইচইয়ের মাঝেও নির্বিঘ্নে গান শোনা যায়। তাই নয়েজ ক্যান্সেলেশন ফিচার আছে এমন হেডফোন কেনাই ভালো।
অ্যাপ
ওয়্যারলেস হেডফোন চালানোর জন্য নির্দিষ্ট অ্যাপ থাকাটা সুবিধাজনক। অ্যাপ ব্যবহারে ইকুয়ালাইজার সেটিংস, জেসচার কাস্টমাইজেশন ও সফটওয়্যার আপডেটের সুবিধা পাওয়া যাবে।
আকার
ডিভাইসটি খুব ছোট এবং এতে কোনো তার থাকে না। আকারে বেশি বড় হলে কান থেকে তা খুলে পড়তে পারে। কেনার সময় তাই দেখে নিতে হবে কানে ঠিক মতো আঁটছে কিনা।
ওজন
বেশি ভারি এয়ারবাডস ব্যবহারে কান ব্যথা শুরু হতে পারে। তাই হালকা ওজন দেখে কিনতে হবে।









