সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:
সাভারের আশুলিয়ায় ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো (বিএটি) কম্পানির গুদামে লাগা আগুন ৭ ইউনিটের টানা ৬ ঘণ্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রনে এসেছে। তবে আগুন পুরোপুরি নির্বাপন করতে আগামীকাল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
এর আগে বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে আশুলিয়ার নলাম এলাকায় অবস্থিত বিএটির গুদামটিতে আগুন লাগে। এ সময় আগুনের খবর পেয়ে পর্যায়ক্রমের জিরাবো, ডিইপিজেড ও ধামরাই ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয়।

স্থানীয়রা জানান, সকালে গুদামের পেছন দিকে ধোঁয়া ও আগুনের শিখা দেখে তারা নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে জিরাবো স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনের কাজ শুরু করে।
তবে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় জিরাবো ফায়ার স্টেশন থেকে আরো দুটি, ডিইপিজেড ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি এবং ধামরাই ফায়ার স্টেশন থেকে একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌছে আগুন নিয়ন্ত্রনে কাজ শুরু করে।
জিরাবো ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আহমেদুল কবির বলেন, আগুন লাগার খবর পেয়ে জিরাবো ফায়ার সার্ভিসের দুটি এবং ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে। কিন্তু আগুনের তিব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় পরবর্তীতে আরো দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রনের কাজে যোগ দেয়। গুদামটিতে দাহ্য পদার্থ বেশি থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে হচ্ছে।
এদিকে আগুনের তীব্রতার কারণে ওই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় আশপাশের বাড়িঘরের বাসিন্দারা তাদের মালপত্র অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন।
ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার প্রণব চৌধুরী বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৭ টায় আগুনের খবর পেয়ে জিরাবো, ডিইপিজেড ও ধামরাই ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌছে আগুন নিয়ন্ত্রনে কাজ শুরু করে। একপর্যায়ে দুপুর সাড়ে ৩ টার দিকে টানা ৬ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও এখনো পুরোপুরে নির্বাপন করা সম্ভব হয়নি। আমাদের লোকজন কাজ করছে, আগুন পুরোপুরি নির্বাপন করতে আগামীকাল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।’
আগুনের কারন এবং ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখানে হাজার হাজার টন তামাক রয়েছে যেগুলো অন্যত্র সড়িয়ে নেওয়া হচ্ছে।
আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রন, অগ্নিকাণ্ডের কারন এবং ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষ বলেও জানান তিনি।
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ (বিএটিবিসি) ২০২৫ সালের জুলাইয়ে রাজধানীর মহাখালীর কারখানা আশুলিয়ায় স্থানান্তর করে। নতুন কারখানার উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৩০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে।









