রাজশাহী

আচরণবিধির তোয়াক্কা করছেন না এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী

নিউজ ডেস্ক২ ডিসেম্বর ২০২৩২ মিনিট পড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক :

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেও যেমন আচরণবিধির তোয়াক্কা করেনি, তফসিল ঘোষণার পরও রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনের এমপি ওমর ফারুক চৌধুরী নির্বাচনের আচরণ বিধির তোয়াক্কা করছেন না। তফসিল ঘোষণার আগেও যেমন তিনি নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে সভা সমাবেশ করেছেন, তফসিল ঘোষণার পরও করছেন না।  এতে বিব্রতকর অবস্থায় পড়ছেন নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণবিধি মোতাবেক কোনো প্রার্থী প্রতীক বরাদ্দের আগে প্রচার-প্রচারণা করতে পারবেন না। কিন্তু কে শোনে কার কথা! আওয়ামী লীগের মনোনিত এমপি প্রার্থী ওমর ফারুক চৌধুরি প্রতীক বরাদ্দের আগেই একের পর নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন করে জনসভা, সভা, সেমিনার করে যাচ্ছেন। আচরণবিধি লঙ্ঘেনের দায়ের এর আগে তাকে নির্বাচন অফিস থেকে  সতর্ক করা হয়। তারপরও তিনি সতর্ক হচ্ছেন না। এতে নির্বাচন কমিশন ওমর ফারুক চৌধুরীকে নিয়ে রীতিমত বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে গেছেন।

জানা গেছে, নিয়ম ভেঙ্গে আজ শনিবার বিকেলে ওমর ফারুক চৌধুরী তানোর পৌরশহরের গোকুল মথুরা মাদরাসা এলাকায় জনসভা করেন এবং ভোটারদের কাছে ভোট চান।  তিনি পৌরশহরের আরও বেশ কয়েক জায়গায় সভা, সেমিনার করেছেন। এছাড়াও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লুতফুর হায়দার রশিদ ময়নাও সরকারি গাড়ি ব্যবহার করে একই ধরনের সভা প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছেন উপজেলাজুড়ে।

এদিকে, শুধু এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীই নয়, তার অনুসারিরাও এলাকায় নেমেছেন আগাম প্রচার-প্রচারণায়। তারা পাড়া মহল্লায় নির্বাচনী শোডাউন, গণসংযোগ করছেন যা নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনের শামিল। নির্বাচন কমিশনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর নিটকতম ব্যক্তি আবুল বাসার সুজনসহ নেতৃবৃন্দ প্রতিনিয়ত তানোরে সভা, সেমিনার, শোডাউন করে যাচ্ছেন। সাধারণ মানুষের কাছে চাচ্ছেন ভোট।

এব্যাপারে রাজশাহী-১ আসনের আওয়ামী লীগ মনোনিত এমপি প্রার্থী ও বর্তমান এমপি ওমর ফারুক চৌধূরীর সাথে কথা বলতে তার মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। যার কারণে তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এব্যাপারে  রিটার্নিং অফিসার ও রাজশাহী জেলা প্রশাসক শামীম আহমদ বলেন, নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনের প্রমাণ পেলে তার বিরদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমরা তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবো।

ট্যাগ: