সিএনএন বিজনেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বোয়িংয়ের কাছে এয়ার ইন্ডিয়ার অর্ডারের মূল্য হতে পারে ৩৪ বিলিয়ন ডলার, আর এয়ারবাসের মূল্য হতে পারে প্রায় ৩৮ বিলিয়ন ডলার। তবে বড় ক্রয়ের কারণে বোয়িং যদি অর্ধেক ছাড় দেয় তবে এ চুক্তির মূল্য হবে ১৭ বিলিয়ন ডলার। এয়ারবাস ও এয়ার ইন্ডিয়া গত শুক্রবার এই চুক্তি সই করেছে। বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে গত ২৭ জানুয়ারি। এয়ার ইন্ডিয়ার জন্য তারিখটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এদিনই টাটা ৭০ বছর পর আবারও সাবেক এই রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থার মালিকানা ফেরত পায়। এর মধ্যে ২২০টি বিমান কেনা হবে বোয়িং থেকে আর ২৫০টি কেনা হবে এয়ারবাস থেকে। বিমানগুলো সরবরাহ শুরু হবে ২০২৩ সালের দ্বিতীয় ভাগে।

গত মঙ্গলবার এ নিয়ে এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তির ফলে আমেরিকায় অর্থনৈতিক প্রভাব পড়বে ৭০ বিলিয়ন ডলারের। এমনকি ১৪ লাখ ৭০ হাজার কর্মসংস্থান প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সহায়তা পাবে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এয়ার ইন্ডিয়া বৈশ্বিক বিমানসেবায় নিজেদের স্থান আরো পাকাপোক্ত করার লক্ষ্যে একসঙ্গে এতগুলো বিমান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। টানা প্রায় এক বছর এ নিয়ে গোপনে আলোচনা হয়েছে। আলোচনার স্থান ব্রিটেনের বাকিংহাম প্রাসাদের কাছাকাছি অবস্থিত টাটাদের এক হোটেলে। তারা আরো জানিয়েছে, সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়ে যাওয়ার পর উদযাপন করা হয়েছে ভারতের উপকূলীয় অঞ্চলের খাবার দিয়ে।
কখনো কখনো মধ্যরাত অবধি এয়ার ইন্ডিয়ার সঙ্গে এয়ারবাস ও বোয়িংয়ের আলোচনা হয়েছে বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়ার প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা নিপুণ আগারওয়াল ও ট্রান্সফরমেশন বিভাগের প্রধান জোগেশ আগারওয়াল এই আলোচনায় নেতৃত্ব দেন।
বৈঠকে অংশগ্রহণকারী এক পক্ষের কর্মকর্তারা রয়টার্সকে বলেন, ‘এয়ার ইন্ডিয়ার প্রতিনিধিরা খুবই দক্ষতার সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তাঁরা বিশ্বের সেরা ব্যাবসায়িক চুক্তি-আলোচকদের সমকক্ষ।’ আলোচনায় অংশ নেওয়া আরেক ব্যক্তি বলেছেন, ‘এয়ার ইন্ডিয়ার প্রতিনিধিরা খুবই পদ্ধতিগতভাবে আলোচনা করেছেন।’ সূত্র : রয়টার্স, সিএনএন মানি









