সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:
চলতি বছরে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান থেকে চুক্তির আওতায় ১০ লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানি করবে সরকার। এতে খরচ হবে ৫ হাজার ১৪২ কোটি ৫১ লাখ টাকা।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠকে কমিটির সদস্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব নাসিম বেগম সাংবাদিকদের জানান, দেশের চাহিদা মেটাতে চলতি বছর জানুয়ারি-জুন সময়ের জন্য মোট ১০ লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল আমদানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ জন্য প্রিমিয়াম ও রেফারেন্স মূল্য বাবদ ব্যয় হবে ৫ হাজার ১৪২ কোটি ৫১ লাখ টাকা।
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ২০২০ সালের মোট চাহিদার ৫০ শতাংশ জি-টু-জি (সরকার থেকে সরকার) ভিত্তিতে এবং ৫০ শতাংশ উন্মুক্ত আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বানের মাধ্যমে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করবে। এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব গত বছর ৩০ অক্টোবর অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে অনুমোদন দেয়া হয়। চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে মেয়াদী চুক্তির আওতায় জি-টু-জি ভিত্তিতে বিভিন্ন দেশের ৬টি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান থেকে ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর সময়ে ২০ লাখ ৯০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর মধ্যে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সময়ের জন্য ১০ লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করা হবে।
যে ৬টি দেশ থেকে জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত জ্বালানি তেল আমদানি করা হবে তার মধ্যে চীনের পেট্রোচায়না থেকে ৬০ হাজার টন গ্যাস অয়েল, থাইল্যান্ডের পিআইটিটি থেকে ৩০ হাজার টন গ্যাস অয়েল, ইন্দোনেশিয়ার বিএসপি জাপিন থেকে ২১ হাজার মেট্রিক টন গ্যাস অয়েল, ৬০ হাজার টন জেট এ-১, ৪০ হাজার টন মোগ্যাস।
এছাড়া চীনের ইউনিপ্যাক থেকে তিন লাখ ৩০ হাজার টন গ্যাস অয়েল, আরব আমিরাতের ইনক থেকে ৬০ হাজার মেট্রিক টন গ্যাস অয়েল এবং মালয়েশিয়ার পিটিএলসিএল থেকে এক লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন গ্যাস অয়েল আমদানির সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও জানান অতিরিক্ত সচিব।









