লাইফ স্টাইল

৩ ধরনের রোগীদের জন্য সিপিআর জরুরি

নিউজ ডেস্ক৩১ আগস্ট ২০১৯২ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:

সম্প্রতি অফিসে কর্মরত অবস্থায় গহর জাহান নামের এক নারী ব্যাংকারের মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে।

প্রাইম ব্যাংকের উত্তরার জসীমউদদীন রোড শাখা কার্যালয়ের সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়ে তার মৃত্যুর দৃশ্য। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ভিডিওটি। এই নারীর মৃত্যুতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শোক জানিয়েছেন অনেকে।

গহর জাহানের পরিবার জানায়, গহরের ওপেন হার্ট সার্জারি হয়েছিল। এই অবস্থায়ই ব্যাংকে নিয়মিত কাজ করছিলেন তিনি।

গহর ওপেন হার্ট সার্জারি রোগী ছিলেন। চিকিৎসক জানিয়েছেন, হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ওই নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ ধরনের মৃত্যু অনেকেরই হতে পারে।

হৃৎস্পন্দন বন্ধ হলে বা কমে গেলে কিংবা শ্বাস-প্রশ্বাস সাময়িক কমে গেলে তাকে সিপিআর দিয়ে সহায়তা করা যায় কার্ডিও-পালমোনারি রিসাসিটেশন বা সিপিআর জীবন রক্ষাকারী একটি কৌশল। হার্ট অ্যাটাক বা বিভিন্ন কারণে শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হলে জরুরি প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে সিপিআর দেয়াটা বিশ্বজুড়ে প্রচলিত।

বিখ্যাত হৃদরোগ চিকিৎসক ড. দেবী শেঠি বলেছেন, হার্ট এটাকের রোগীকে সিপিআর না দিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া আর কফিন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া একই কথা। এখানেও তাই হয়েছে।

সিপিআর যে শুধু হার্টের রোগীদের দেয়া হয় বিষয়টি তা নয়। হার্ট অ্যাটাক, পানিতে পড়লে, ইলেকট্রিক শর্টে আহত হলে বা যে কোনো কারণে কোনো মানুষ যদি কলাপস করে তবে তাকে সিপিআর দেয়া যেতে পারে। এটাকে আমারা বলি প্রাথমিক চিকিৎসা। তবে হার্ট অ্যাটাক, পানিতে পড়লে ও ইলেকট্রিক শর্টে আহত রোগীদের জন্য সিপিআর জরুরি।

আমরা নিউজ পরে জানতে পারি ওই নারী হার্ট সার্জারি রোগী ছিলেন। এ ধরনের রোগী যদি দ্বিতীয়বার হর্টি অ্যাটাক হয় তবে তাদের অন্য মানুষের চেয়ে ঝুঁকি বেশি। তবে এ ধরনের রোগীর ক্ষেত্রে সিপিআর করা যেতে পারে। সিপিআর সঠিকভাবে করতে পারলে হয়তো ওই নারী বেঁচে যেতে পারতেন।

সিপিআর করলে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার রোগীর ফেরার সম্ভবনা কতটুকু? ‘প্রথমত আমি বলবো- সৃষ্টিকর্তায় বিশ্বাস রাখতে হবে, এছাড়া চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।