সাইক্লোন গেল কিন্তু যাবার বেলায় সে শহরকে ভাসিয়ে দিয়ে গিয়েছে। অঙ্ক ও বাস্তব চিত্র সেই কথাই জানাচ্ছে। গত ২৪ ঘন্টায় শহরে ২৪৮.৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
সকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত ২৩৬.৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। দমদমের সকালের তাপমাত্রা ২৪.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বৃষ্টি হয়েছে ২০৩ মিলিমিটার। সল্টলেকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রি সেসিয়াস, এখানেও বৃষ্টি হয়েছে ৭৩ মিলিমিটার। আর্দ্রতার পরিমাণ দুই অঞ্চলেই ১০০ শতাংশ।
সাইক্লোন পরবর্তী জের স্পষ্ট শহরের তাপমাত্রাতেও। বৃহস্পতিবার সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমান সর্বোচ্চ ৯৫ শতাংশ , সর্বনিম্ন ৬৯ শতাংশ। বুধবার সকালে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল মঙ্গলবার ৩৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম ছিল। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৫ সর্বনিম্ন ৬৬ শতাংশ। বৃষ্টি হয়েছিল ১৩.৮ মিলিমিটার।

সোমবার সন্ধ্যা থেকে হঠাৎ করেই হাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। গুমোট হতে শুরু করে আবহাওয়া। রাতভর অস্বস্তিকর গরম ভুগিয়েছে শহরবাসীকে। সকালেও সেই অবস্থা বর্তমান ছিল। এ সবই যে ঝড়ের পূর্ববর্তী অবস্থা তা স্পষ্ট হয়ে যায়। মঙ্গলবার, শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৯.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল সোমবার ৩৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এই ডিগ্রি বেশি ছিল। বুধবার দিনভর শহরের উপর ঝড়ের তাণ্ডব চলে।
শহরে সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল ১৩৩ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা। চলতি সপ্তাহে সোমবার রাতের দিকে ছিটেফোঁটা বৃষ্টি হয়েছিল শহরে, তা অস্বস্তিকে আরও কয়েকগুন বাড়িয়ে দিয়েছিল। মঙ্গলবার রাত থেকে মিলেছে বহু প্রতিক্ষিত এবং কাঙ্খিত স্বস্তি। যা বুধের ভয়াল সাইক্লোনে এখনও বর্তমান। সূত্র: কলকাতা 24








