সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:
পাঁচজন মিলে একটি গরু কোরবানি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিছিলাম। এরপর অংশীদারদের নিয়ে আবাদপুকুর হাটে গরু কিনতে আসি।
হাটে নামার পরপরই হাত দিয়ে দেখি প্যান্টের পকেটে রাখা এক লাখ টাকা নেই। পকেটমার হয়েছে। টাকাটা চুরি হওয়ায় চরম বিপদে পড়ছি।’
কথাগুলো বলছিলেন হাটে গরু কিনতে যাওয়া নূরুজ্জামান (৪২) নামের এক ব্যক্তি।

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার ঘোড়াঘাট এলাকার নাজমুল হকের ছেলে তিনি। বুধবার সকালে নওগাঁর রাণীনগরে আবাদপুকুর হাটে কোরবানির গরু কিনতে গিয়ে পকেটমারের শিকার হন এই ক্রেতা।
নুরুজ্জামান জানান, তারা পাঁচজন মিলে একটি গরু কোরবানি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। বুধবার সকালে সবাইকে নিয়ে আবাদপুকুর হাটে গরু কিনতে আসেন তিনি।
সকাল ১১টার দিকে হাটে নামার পরপরই প্যান্টের পকেটে হাত দিয়ে দেখেন সেখানে রাখা এক লাখ টাকা নেই। সাথে সাথে টাকা উদ্ধারের জন্য আবাদপুকুর হাট কর্তৃপক্ষকে জানান। তবে এ ঘটনায় কাউকে শনাক্ত করা বা টাকা উদ্ধার করা যায়নি।
আবাদপুকুর হাটের ইজারাদারের একজন অংশীদার হাজের আলী বলেন, ‘প্যান্টের পকেট থেকে এক লাখ টাকা চুরি যাওয়ার ঘটনাটি শুনেছি। কিন্তু টাকা উদ্ধারের কোনো সুরাহা করা যায়নি।
’ তিনি বলেন, ‘হাটে টাকা নিজ হেফাজতে রাখতে হবে। আসল ও জাল টাকা দেখে লেনদেনের জন্য ক্রেতা-বিক্রেতাকে সচেতন করার জন্য পশুর হাটে মাইকিং করা হচ্ছে। তার পরও কেউ যদি সচেতন না হয়, তাহলে কী করার আছে।’
রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কারিয়া মণ্ডল বলেন, ‘টাকা চুরির ঘটনাটি শুনেছি। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত (বুধবার বিকেল ৪টা) লিখিত অভিযোগ পাইনি।’









