সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :
তবে কিছু নিয়ম মানলে আমাদের অভ্যন্তরে জমা হওয়া টক্সিন শরীর নিজ থেকেই পরিষ্কার করতে পারে।

আঁশযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া
আমরা বেশির ভাগ সময় প্রয়োজনের তুলনায় আঁশযুক্ত খাবার কম গ্রহণ করি। তবে আঁশযুক্ত খাবার আমাদের স্বাস্থ্যের ওপর বড় প্রভাব ফেলে। এটি প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, মস্তিষ্কের কার্যকারিতা এবং চিন্তা শক্তির ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। এছাড়াও হৃদরোগ, টাইপ-২ ডায়াবেটিস, কোলন ক্যান্সারের মতো দীর্ঘ মেয়াদি রোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে আঁশ বা ফাইবার।
কিডনি এবং লিভারের বর্জ্য বের করে দিতে সাহায্য করে পানি। ফলে শরীর থেকে থেকে বিষাক্ত উপাদান দূর হয়। পর্যাপ্ত পানি পান করা দীর্ঘমেয়াদে কিডনিকে সুরক্ষা দিতে সাহায্য করে। আর স্বাস্থ্যকর কিডনি আমাদের শরীর থেকে বিভিন্ন বর্জ্য বের করে দিতে পারে।
ফুসফুসকে সহায়তা করা
ফুসফুস আমাদের দেহের অত্যন্ত গুরুতপূর্ণ অঙ্গ। তাই সুস্থ্য থাকতে হলে ফুসফুসের যত্ন নেয়া খুব জরুরি। কৃত্রিম উপায়ে ফুসফুস পরিষ্কার অনেক সিস্টেম বর্তমানে রইয়েছে, তবে চিকিৎসা বিজ্ঞান বলে তা স্বাস্থ্যসম্মত নয়।
এ ছাড়াও ফুসফুস ঠিক রাখতে গাড়ি, কলকাখানার দূষিত ধোঁয়া থেকে নিজেকে দূরে রাখার জন্য মাস্ক পড়তে হবে।
পর্যাপ্ত ঘুম
পর্যাপ্ত ঘুমের মাধ্যমে আমরা শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে পারি। প্রতি রাতে আমাদের মস্তিষ্কের ফাঁকা জায়গার চারপাশে একধরণের তরল (সেরিব্রোস্পাইনাল) প্রবাহিত হয়, যা আমাদের মস্তিষ্কে থাকা বর্জ্য বের করে দেয়। এটার জন্য আমাদের পর্যাপ্ত ঘুমের প্রয়োজন। কেননা অন্যদিকে ঘুমের ঘাটতি মস্তিষ্ক ও রক্তনালির মাঝের সুরক্ষামূলক বাধার কার্যকারিতা নষ্ট করতে পারে।
ফিট থাকা
ব্যায়ামের মাধ্যমে আপনি আপনার শরীর থেকে বিষাক্ত বর্জ্য পদার্থ দূর করতে পারেবন, তবে তা ঘাম ঝরানোর মাধ্যমে নয়। বিজ্ঞানীরা ঘাম ঝরানোর মাধ্যমে শরীর থেকে বর্জ্য বের করার তেমন কোন সত্যতা পাননি। ঘাম মূলত পানি দিয়েই গঠিত, যার প্রধান কাজ আমাদের শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রন করা এবং শরীর ঠান্ডা রাখা। বাস্তবে শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করার প্রধান পথ হলো লিভার এবং কিডনি। গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যায়াম রক্ত প্রবাহ বাড়ায়। ফলে কিডনি এবং লিভার আরো দ্রুত শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করতে পারে।
তবে অবশ্যই মনে রাখতে হবে স্বাস্থ্যসম্মত এ সকল প্রক্রিয়া দীর্ঘ মেয়াদে কার্যকর। আমাদেরকে ভাল ফলাফল পেতে হলে নিয়মিত এগুলো মেনে চলতে হবে।









