নিজস্ব প্রতিবেদক:
ভর্তি জালিয়াতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের (রাবি) তিন শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসন। সেইসঙ্গে প্রক্সি দিয়ে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ আগস্ট) বিকেলে বিশ^বিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক আবদুস সালাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে তাদের বহিষ্কার করা হয়।
বিশ^বিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কৃতরা হলেন- ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী ও শেরে বাংলা ফজলুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ, লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী ও শহীদ হবিবুর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের কর্মী মাহিবুল মমিন সনেট এবং একই হল শাখার কর্মী এবং শিক্ষা ও গবেষণা ইনিস্টিটিউটের ২০২০-২১ সেশনের শিক্ষার্থী শাকোয়ান সিদ্দিক প্রাঙ্গন। এর আগে গত শনিবার রাতে এ ঘটনায় তাদের দল থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। ভর্তি বাতিলকৃত শিক্ষার্র্র্র্র্র্থীর নাম আহসান হাবিব। তিনি ২০২২-২৩ সেশনে পপুলেশন সায়েন্স এন্ড হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন।

রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে প্রথমবর্ষে ভর্তি পরিক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় আহসান হাবিবের ভর্তি বাতিল করা হলো। সেইসাথে আহসানকে অর্থের বিনিময়ে অসদুপায় অবলম্বন করে ভর্তি হতে সহায়তা করায় বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাজু আহমেদ, মহিবুল মমিন সনেট ও শাকোয়ান সিদ্দিক প্রাঙ্গনকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হলো।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তন্ময়সহ বহিষ্কৃত ৩ জনের বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি ও আহসান হাবিবকে অপহরণ করে ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ ওঠে। এরই প্রেক্ষিতে শুক্রবার তাদের বিরুদ্ধে নগরীর মতিহার থানায় মামলা দায়ের করেন আহসানের মা। সেইসাথে বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসন বাদি হয়ে আহসানসহ ছাত্রলীগের চার নেতার বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা দায়ের করে।
জি/আর








