সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :
এই সময়ে এসে সবাই নিজেকে ফিট রাখতে চায়। সে জন্য ওজন কমাতে বিভিন্ন উপায়ে ব্যায়াম করেন। এ ছাড়া ছোটেন জিমের দিকেও। তারা মনে করেন ঘাম ঝরালেই কমবে ওজন।
শুধু তা-ই নয়, কেউ কেউ ভারী ওয়ার্কআউটের পাশাপাশি বেছে নেন এক সুষম ডায়েট। কিন্তু যদি কোনো ব্যক্তির জীবনযাত্রার রুটিনই খারাপ হয়, তাহলে তিনি যতই চেষ্টা করেন, তার পক্ষে ফিট থাকা কঠিন।
এই পরিস্থিতিতে খাদ্যাভ্যাসের দিকেও মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। ফিট থাকার জন্য সব সময় ব্যায়ামেরই প্রয়োজন হয় না।

তবে নিয়মিত সক্রিয় থাকার মাধ্যমে স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়। কিন্তু কোনো ব্যক্তি যদি ব্যায়াম না করে ওজন কমাতে চান, তাহলে কয়েকটি টিপস মানলেই মিলবে উপকার। কী সেই টিপস, চলুন জেনে নিই—
সুষম খাদ্যাভ্যাস
ফিট থাকার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস। খাদ্যতালিকায় প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, চর্বি, ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ খাবার অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
তাজা ফল, শাক-সবজি, গোটা শস্য ও স্বাস্থ্যকর চর্বি সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।
পর্যাপ্ত পানি পান
যতটা সম্ভব নিজেকে হাইড্রেটেড রাখতে হবে। পানি শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। হজমে সাহায্য করে এবং ত্বককে হাইড্রেটেড রাখে। প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পান করার চেষ্টা করুন।
নিজেকে সক্রিয় রাখুন
ব্যায়াম না করেও নিজেকে সচল রাখা যায়। ঘর পরিষ্কার করা, বাসনপত্র ধোয়া বা কাপড় কাঁচার মতো কাজও শারীরিক কার্যকলাপের অন্তর্ভুক্ত। যা ক্যালরি বার্ন করতে সাহায্য করে। পেশি শক্তিশালী করে।
যোগব্যায়াম ও ধ্যান
যোগব্যায়াম ও ধ্যান মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য খুবই ভালো উপায়। যোগব্যায়ামের মাধ্যমে নমনীয়তা বৃদ্ধি করতে পারেন। চাপ কমাতে পারেন এবং মানসিক শান্তি পেতে পারেন। এটি সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।
পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম
শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম শুধু শরীরকে চাঙ্গা করে না বরং তা যেকোনো ব্যক্তির বিপাককেও উন্নত করে। ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ঠিকমতো ঘুম না হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়। শারীরিক ক্লান্তিও বেড়ে যায়।
সূত্র: কালের কণ্ঠ









