বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

ব্যাটারিজনিত কারণেই নোট৭ বিস্ফোরণ

নিউজ ডেস্ক১৬ জানুয়ারি ২০১৭২ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্কঃ

 

ব্যাটারিজনিত কারণেই স্যামসাংয়ের ফ্যাবলেট গ্যালাক্সি নোট৭ বিস্ফোরণ হয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। ইতোমধ্যে তদন্তটি শেষ হয়েছে। ওই তদন্তে বলা হয়েছে, যে কারণে নোট৭ এ বিস্ফোরণ ঘটেছে তার অন্যতম কারণ ব্যাটারি।

 

আগামী ২৩ তারিখ তদন্ত প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হবে। সোমবার নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্যামসাং ইলেকট্রনিক্সের একজন কর্মকর্তা সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে তদন্তের ফলাফল সম্পর্কে নিশ্চিত করেছে।

 

এর আগে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মোবাইল ফোন উৎপাদক প্রতিষ্ঠান স্যামসাং তাদের জনপ্রিয় সিরিজ গ্যালাক্সি নোট৭ এ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বড় ধরনের ব্যর্থতার পরিচয় দেয়। ফলে বিশ্বব্যাপী স্যামসাং নিয়ে গ্রাহক ও আগ্রহীদের বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সম্মুখীণ হতে হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটিকে বেশ বড়সড় লোকসানের মুখেও পড়তে হয়েছে।

 

এই ব্যর্থতা কাটাতে স্যামসাং একটু আগেই ঘোষণা দেয় যে, তারা আর একটি ফ্ল্যাগশিপ হ্যান্ডসেট এস৮ এ বছরের প্রথমাংশেই বাজারে ছাড়তে যাচ্ছে।

সিঙ্গাপুর ভিত্তিক আইডিসি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও গবেষক ব্রায়ান মা বলেন, তারা গ্রহাকদের এই বলে আশস্ত করতে পেরেছে যে এই ঘটনার আর পুনরাবৃত্তি হবে না।

 

স্যামসাংয়ের এই তদন্ত প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হবে ২৩ জানুয়ারি। তবে আর এক দিন আগেই স্যামসাং গত বছরের চতুর্থ প্রান্তিকের আয়ের হিসাব প্রকাশ করবে বলে বলেছেন স্যামসাংয়ের ওই কর্মকর্তা। তবে তিনি নিজে স্যামসাংয়ের হয়ে অফিসিয়াল কথা বলতে পারেন না এবং কোনো ভাইবেই তার নাম প্রকাশ করা যাবে না এমন শর্ত জুড়ে দিয়েছেন।

 

স্যামসাং মোবাইলের ব্যবসায়িক প্রধান কোহ ডং জিন ওই প্রতিবেদন প্রকাশ করবেন এবং ব্যবসার ভবিষ্যৎ নিয়েও কথা বলবেন। ভবিষৎতে যেনো আর এমন দুর্ঘটনা না ঘটে সেদিকে স্যামসাং নজর দেবে এবং সে মাফিক একটি পরিকল্পনার কথাও জানাবে বলে ওই সূত্র বলেছেন।

 

তবে তদন্ত প্রতিবেনসহ এই পুরো প্রক্রিয়াটি নিয়ে স্যামসাং কর্তৃপক্ষ কোনো ধরনের মন্তব্য করতে চাননি।

 

এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বরে বিশ্বের কয়েকটি দেশে স্যামসাং তাদের নোট৭ ইন্মোচন করে। আর অল্প সময়ের মধ্যেই ২৫ লাখ হ্যান্ডসেট বিক্রি করতেও সক্ষম হয়। কিন্তু তার কয়েকদিনের মাথায় নোট৭ বিস্ফোরণের অভিযোগ ওঠে।

 

একে একে এমন অভিযোগ বাড়তে থাকলে স্যামসাং একসময় তাদের উৎপাদন বন্ধ করে দেয়। বাজার থেকে তারা একসময় সেটটি সরিয়ে নিতে বাধ্য হয়।

 

 

 

সূত্রঃটেক শহর