সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন এফবিসিসিআই’র প্রতিনিধি দল। বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ ব্যাংকের সদর দপ্তরের সভাকক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে ব্যবসায়ীরা বলেন, ২০২৬ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণের পর দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। এ অবস্থায় নীতিগত সহায়তা ও আর্থিক প্রণোদনা জরুরি।

এ সময় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা গভর্নরের কাছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব তুলে ধরেন। যার মধ্যে রয়েছে— ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের পুনর্গঠনে গঠিত নীতি সহায়তা কমিটির কার্যকাল বৃদ্ধি; রপ্তানিমুখী শিল্পের ব্যাংকিং সমস্যা দ্রুত সমাধানে বাংলাদেশ ব্যাংকে ‘পয়েন্ট অব কন্টাক্ট’ স্থাপন; সুদের হার কমিয়ে এক অঙ্কে নামিয়ে আনা; রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলের (ইডিএফ) আকার বৃদ্ধি ও সুদের হার হ্রাস; এসএমই খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়াই ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি খোলার সুযোগ প্রদান।
ব্যবসায়ীরা আরো বলেন, জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা ও শিল্প খাত পুনরুদ্ধারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিশেষ সহায়তা প্রয়োজন।
গভর্নর ড. আহসান এইচ. মনসুর বৈঠকে বলেন, ‘অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যবসাবান্ধব নীতি বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বেসরকারি খাতই বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি।’
তিনি প্রতিনিধি দলের উত্থাপিত প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনার আশ্বাস দেন এবং বলেন, ‘শিল্প ও রপ্তানি খাতের জন্য প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা প্রণয়নে বাংলাদেশ ব্যাংক অগ্রাধিকার দেবে।’
বৈঠকে এফবিসিসিআই’র মহাসচিব মো. আলমগীরের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাবেক সহসভাপতি আবুল কাশেম হায়দার ও নিজাম উদ্দিন রাজেশ, বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান ও সাবেক সভাপতি এস. এম. ফজলুল হক, বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল, এফবিসিসিআই’র সাবেক পরিচালক আব্দুল হক, গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী (খোকন), আব্দুল ওয়াহেদ, আনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন, বাংলাদেশ সিএনজি মেশিনারিজ ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. জাকির হোসেন (নয়ন) এবং বাংলাদেশ সুপার মার্কেটস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. জাকির হোসেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।









