মানববন্ধনে রবিউলের মা, তার স্ত্রী, সন্তানসহ আশুলিয়ার বিভিন্ন শ্রমিক নেতা উপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনায় দোষীদের গ্রেপ্তার করে তাদের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন রবিউলের পরিবার ও এলাকাবাসী।
মানববন্ধনে এলাকাবাসীরা জানান, এই হত্যাকারী যদি আইনের কোনো ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে যায়। তাহলে এর থেকেও ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। কারণ তারা চিহ্নিত সন্ত্রাসী।
এ বিষয়ে জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শ্রমিক নেতা মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, আমরা এমন একটা সেক্টরের শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করি যে সেক্টরের শ্রমিকরা নির্যাতন, হয়রানি এমনকি হত্যাকাণ্ডের শিকার হলেও তার বিচার পাওয়ার অধিকার থাকেনা। পোশাক শ্রমিক রবিউল ইসলামের হত্যাকারী ১ নম্বর আসামি বহুদিন যাবত শ্রমিক হয়রানিসহ নির্যাতন করে আসছে। গত জুলাই মাসেও এই ১ নম্বর আসামি ঠান্ডু নামের একজন শ্রমিকনেতাকে রাস্তা থেকে উঠিয়ে নিয়ে নির্যাতন এবং গুমরে চেষ্টা করেন। কিন্তু বিষয়টা জানাজানি হওয়ার কারণে ছেড়ে দিতে বাধ্য হন।

তিনি আরও বলেন, এই আসামি ইউনিক থেকে বুড়ির বাজার এলাকায় যে সব কারখানা রয়েছে তাদের শ্রমিকরা দাবি দাওয়া নিয়ে কথা বলতে গেলেই তারা নির্মম নির্যাতনের স্বীকার হয়। কার ইশারায় এমন গুম খুনের মতো জঘন্যতম অপরাধ করে। এর শেষ কোথায়। আমরা রবিউল হত্যার সঠিক ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।
উল্লেখ্য, পূর্ব দ্বন্দ্বের জেরে গত ৩১ জুলাই দক্ষিণ বাইপাল এলাকার রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে নির্যাতনের পর পোশাক শ্রমিক রবিউল ইসলামকে (৩০) তুলে নিয়ে গিয়ে জীবিত অবস্থাতেই বস্তায় বন্দি করে ধামরাইয়ের ভারারিয়া এলাকার পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান রবিউল। এ ঘটনায় রাতেই ধামরাই থানায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন নিহত রবিউলের বোন ফারজানা আক্তার ঝিলিক।









