বগুড়া

বগুড়ায় পৃথক দুর্ঘটনায় বাবা-মেয়েসহ মৃত্যু ৫

নিউজ ডেস্ক২৮ ডিসেম্বর ২০২৪২ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:

বগুড়ায় দুটি পৃথক সড়ক দুর্ঘটনা ও ট্রেনে কাটা পড়ে ৫ জন নিহত হয়েছে। এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা করা হয়েছে। ঘটনাগুলো ঘটেছে শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা থেকে সোয়া ১০টার মধ্যে।

শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে কাহালুর দরগাহাট, গাবতলীর সুখানপুকুর ও গণকবর এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।

কাহালু থানা জানিয়েছে, শনিবার সকাল ১০টার দিকে ব্যাটারিচালিত একটি ভ্যান যাত্রী নিয়ে কাহালু থানাধীন দরগাহাটের দিকে যাচ্ছিল। পথে বগুড়া-নওগাঁ সড়কে অবস্থিত রেডিও স্টেশনের সামনে পৌঁছলে ভ্যানে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয় এবং ভ্যানের এক্সেল ভেঙে যাত্রীরা সড়কে পড়ে যায়। এ সময় পেছনে থেকে আসা অজ্ঞাত ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাদের ওপর দিয়ে চলে যায়। সংবাদ পেয়ে কাহালু ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা চারজনকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান।

সেখানে চিকিৎসাধীন কাহালু উপজেলার বুড়ইল গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে ভ্যানরিকশা চালক শাহীনুর রহমান (৪০), একই উপজেলার ভাগদূর্গা গ্রামের রিয়াজুল ইসলামের ছেলে ভ্যানযাত্রী ফারুক হোসেন ও তার মেয়ে হুমাইরার (৭) মৃত্যু হয়। আহত ফারুকের স্ত্রী জুলেখা খাতুন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কাহালু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহীনুজ্জামান শাহীন জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে ৩ জনের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এদিকে প্রায় একই সময় জেলার গাবতলী উপজেলায় মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে নিহত হন স্বামীর সঙ্গে মোটরসাইকেলে থাকা স্ত্রী রেশমী খাতুন।

তিনি উপজেলার বালিয়াদিঘীর কালাইহাটা এলাকার যুবায়ের হোসেনের স্ত্রী।

গাবতলী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিক ইকবাল জানান, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তারা স্বামী-স্ত্রী মোটর সাইকেলযোগে যাচ্ছিলেন। পথে সুখানপুকুর পৌঁছিলে অসাবধানতাবশত স্ত্রী রেশমী মোটরসাইকেল থেকে পড়ে যান। এ সময় পেছনে থাকা নিয়ন্ত্রণহীন একটি বালুবাহী ট্রাক তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা।

অন্যদিকে সকাল সোয়া ১০ টার দিকে জেলা শহরের নারুলী গণকবর এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান সারিয়াকান্দি উপজেলার মৃত সিরাজুলের ছেলে মো ফরিদ। নারুলী ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর নাজমুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

বগুড়া রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার সাজেদুর রহমান সাজু জানান, সান্তাহার থেকে বুড়িমারীগামী করতোয়া এক্সপ্রেস এর ধাক্কায় তার মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা মরদেহটির পরিচয় নিশ্চিত করেন। নিহতের আত্মীয়রা জানিয়েছেন, ফরিদ মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। এ ঘটনায় রেলওয়ে থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।