সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :
সারাজীবন আয় করা অর্থ কোথায় বিনিয়োগ করবেন তা নিয়ে চিন্তায় থাকেন অনেকেই। কেউ বিনিয়োগ করেন স্থায়ী সম্পদে, কেউ সঞ্চয়পত্র বা নানা ব্যবসায়। তবে মধ্যবিত্তদের সঞ্চয়ের অন্যতম স্মার্ট মাধ্যম প্রাইজবন্ড।
সমাজের সব শ্রেণির মানুষের মধ্যে সঞ্চয় প্রবণতা বৃদ্ধির জন্য ‘বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড’ নামে এই বন্ড চালু করে সরকার। এটি যেকোনো সময় কেনা ও ভাঙানো যায়। যার ১২৩তম অনুষ্ঠিত হবে ৩০ এপ্রিল।

এতে প্রথম পুরস্কার বিজয়ী পাবেন ৬ লাখ টাকা। এছাড়া দ্বিতীয় পুরস্কার হিসেবে প্রতিজন পাবেন ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা। তৃতীয় পুরস্কার এক লাখ টাকা, চতুর্থ পুরস্কার ৫০ হাজার টাকা এবং পঞ্চম পুরস্কার হিসেবে প্রতিজন পাবেন ১০ হাজার টাকা করে।
প্রাইজবন্ডের ক্ষেত্রে ঘোষিত নম্বরের প্রতিটি সিরিজ একই পুরস্কারের জন্য প্রযোজ্য হয়। অর্থাৎ নির্দিষ্ট নম্বরের সব বন্ডই পুরস্কারের আওতায় আসে। ড্রয়ে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা অনুসরণ করা হয়। ড্রয়ের তারিখ থেকে ৬০ দিন আগে পর্যন্ত বিক্রি হওয়া প্রাইজবন্ডগুলোই এ ড্রয়ের জন্য বিবেচিত হয়। এখানে বিক্রির তারিখ গণনায় ড্রয়ের দিনটি অন্তর্ভুক্ত করা হয় না।
আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী প্রাইজবন্ডে প্রাপ্ত পুরস্কারের ওপর ২০ শতাংশ হারে উৎসে কর কেটে নেওয়া হয়। প্রতিবছর নির্ধারিত চারটি তারিখে ৩১ জানুয়ারি, ৩০ এপ্রিল, ৩১ জুলাই ও ৩১ অক্টোবর প্রাইজবন্ডের ড্র অনুষ্ঠিত হয়। তবে এসব তারিখ সাপ্তাহিক ছুটি বা সরকারি ছুটির দিনে পড়লে পরবর্তী কার্যদিবসে ড্র অনুষ্ঠিত হয়।









