ছবিঘর

পছন্দমতো গল্প পেলে ছবি করতে চাই

নিউজ ডেস্ক১১ আগস্ট ২০২৫৩ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:

বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নাবিলা ইসলাম। ইতোমধ্যে অভিনয়ের মাধ্যমে জয় করেছেন দর্শকদের হৃদয়। গত সপ্তাহে নাবিলা ইসলাম অভিনীত নতুন দুটি ধারাবাহিকের প্রচার শুরু হয়েছে। করছেন একক নাটকও।

অভিনেত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন সুদীপ কুমার দীপ।
‘ম্যানেজ মাস্টার’ ও ‘কলেজ রোড’—নতুন দুটি ধারাবাহিকের প্রচার শুরু হয়েছে। ধারাবাহিক দুটি কেমন?
‘ম্যানেজ মাস্টার’ ধারাবাহিকের পরিচালক সঞ্জিত সরকার। এর আগে তাঁর সঙ্গে আরটিভির ‘চিটার অ্যান্ড জেন্টেলম্যান’ করেছিলাম।

৬৭৬ পর্ব পর্যন্ত ধারাবাহিকটি প্রচারিত হয়েছে। সঞ্জিত সরকার সব সময় হাস্যরসাত্মক ঘরানার নাটক নির্মাণ করেন। এটাও তেমন। গল্পে দেখা যাবে, আমি বিদেশ থেকে দেশে এসে মামার সঙ্গে থাকি।

আমাকে নিয়ে এলাকার তরুণদের উৎসাহ অনেক। তবে মামার ভয়ে কেউ কাছে ভিড়তে পারে না। আর ‘কলেজ রোড’ আনিসুর রহমান রাজীবের। এটি কলেজ কেন্দ্রিক নাটক। একটি কলেজে যেমন রাজনীতি, প্রেম-ভালোবাসা থেকে শুরু করে অনেক কিছুই থাকে, এই নাটকেও সে বিষয়গুলো আছে।

এখনকার অভিনয়শিল্পীরা একক নাটকে বেশি উৎসাহী। আপনি ব্যতিক্রম। ধারাবাহিকে নিয়মিত পাওয়া যায় আপনাকে। এর পেছনে কি কোনো রহস্য আছে?

ধারাবাহিক নাটক আমাদের ঐতিহ্য। সেই সাদাকালো যুগের কথা মনে করেন, তখন কত ধারাবাহিক জনপ্রিয় হয়েছে। এরপর একক নাটক বলতে ছিল শুধু প্যাকেজ নাটক। এক দশক আগেও আমাদের ধারাবাহিকের চাহিদা ছিল তুঙ্গে। হঠাৎ করে শিল্পীরা ধারাবাহিকের চেয়ে একক নাটকে আগ্রহ দেখাতে শুরু করলেন। তবে সবাই না, হাতেগোনা কয়েকজন আর্টিস্ট ধারাবাহিক থেকে মুখ ফিরিয়েছিলেন। মোশাররফ করিম ভাই, জাহিদ হাসান ভাই থেকে শুরু করে বড় তারকারা কিন্তু ধারাবাহিক করে গেছেন। আমি ধারাবাহিকে আগ্রহী একটা বিশেষ কারণে। অনেক দিন ধরে একটা ইউনিটে কাজ করলে পারিবারিক বন্ধন তৈরি হয়। একসঙ্গে দিনের পর দিন শুটিং, খাওয়াদাওয়া, গল্পগুজব—এগুলো খুব ভালো লাগে আমার। একক নাটকও যে করি না তা কিন্তু নয়। তবে ধারাবাহিকে স্বাচ্ছন্দ্য বেশি।

দুই সপ্তাহ আগে এসেছে একক নাটক ‘মতিনের বউ’। কেমন সাড়া পেলেন?
এটা কাপল ব্লগ নিয়ে বেশ মজার একটা গল্প। আমার সঙ্গে আছেন মুসাফির সৈয়দ বাচ্চু, পরিচালনায় মাসুদ সেজান ভাই। ক্যারিয়ারের প্রথমদিকে সেজান ভাইয়ের অনেক নাটক করেছিলাম। মাঝখানে তিনি বিরতি নিয়েছিলেন। এ নাটকটা দিয়ে আবার ব্যাক করলেন। সেজান ভাইয়ের নিজের ইউটিউব চ্যানেলে নাটকটি প্রকাশিত হয়েছে। দর্শক নাটকটি দেখেছে, ভালো ভালো মন্তব্যও করেছে।

নতুন আর কী করছেন?
৮ আগস্ট একটা একক নাটকের শুটিং করলাম—‘বেলা ও বিকেল’, পরিচালক শরিফুল ইসলাম শামীম। প্রথমবার আবুল হায়াত আংকেলের সঙ্গে অভিনয় করলাম। দারুণ একটা অভিজ্ঞতা হয়েছে। ওহ! গত সপ্তাহে হারুন রুশো ভাইয়ের একটা নাটকের শুটিংও করেছি। নাম এখনো ঠিক হয়নি। পারিবারিক গল্পের নাটক।

‘যুদ্ধ জীবন’ নামে একটা ছবির শুটিং শুরু করেছিলেন। ছবিটা কবে মুক্তি পাবে?
এই বিষয়ে আসলে কিছু জানি না। সরকারি অনুদানের ছবি। আমরা ৮০ শতাংশ শুটিং করেছিলাম। বাকি শুটিং কবে হবে বা আপডেট কী সেটা পরিচালক জানাতে পারবেন।

নতুন কোনো ছবি হাতে নিয়েছেন?
না। দুটির প্রস্তাব পেয়েছিলাম। সত্যি বলতে, আমি যে ধরনের ছবি করতে চাই সেই ধরনের গল্প ছিল না। তবে অপেক্ষায় আছি, পছন্দমতো গল্প পেলে ছবি করতে চাই।

ওটিটিতে কাজ করছেন?
প্রথম থেকে আমার কাজগুলো দেখলে বুঝতে পারবেন, বেছে বেছে করি। অনেকের মতো আমার কাজের সংখ্যা অনেক না। তবে যেগুলো করেছি দর্শক পছন্দ করেছে। এখন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম অনেক, কাজের জায়গাটাও বড়। তবে ভালো গল্প কয়টা হচ্ছে বলেন! শুধু কাজ করলে তো হবে না। মানুষ যেন পছন্দ করে সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।