ধর্ম

নবীদের মর্যাদার ভিন্নতা মহান আল্লাহর একচ্ছত্র সিদ্ধান্ত

নিউজ ডেস্ক২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬২ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :

কোরআনুল কারিমের অনুবাদ ও সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা

সুরা : বনি ইসরাঈল, আয়াত : ৫৫

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ

পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে

وَ رَبُّكَ اَعۡلَمُ بِمَنۡ فِی السَّمٰوٰتِ وَ الۡاَرۡضِ ؕ وَ لَقَدۡ فَضَّلۡنَا بَعۡضَ النَّبِیّٖنَ عَلٰی بَعۡضٍ وَّ اٰتَیۡنَا دَاوٗدَ زَبُوۡرًا ﴿۵۵﴾

সরল অনুবাদ

৫৫. আর আসমানসমূহ ও যমীন যারা আছে তাদের সম্পর্কে আপনার রব অধিক অবগত। আর অবশ্যই আমরা নবীগণের কিছু সংখ্যককে কিছু সংখ্যকের উপর মর্যাদা দিয়েছি এবং দাউদকে দিয়েছি যাবূর।

সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা

সুরা বনি ইসরাঈলের এই আয়াতটিতে মক্কার কাফেরদের একটি প্রশ্নের উত্তরে “নবীগণের কিছু সংখ্যককে কিছু সংখ্যকের ওপর মর্যাদা দিয়েছি ” বিষয়টার পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে। যদিও সুরা বাক্কারার ২৫৩ নং আয়াতে বিষয়টি আগেই বলা হয়েছিল।

মক্কার কাফেররা বলত যে, আল্লাহ কি তার রিসালতের জন্য এই মুহাম্মাদকেই পেয়েছেন? তখন মহান আল্লাহ তাদের উত্তরে বললেন, কাউকে রিসালাতের জন্য নির্বাচন করা এবং কোনো এক নবীকে অপর নবীর ওপর প্রাধান্য দেওয়া এসব কেবল তারই এখতিয়ারাধীন।
আয়াতের শেষে উল্লেখিত যাবূর আল্লাহর পক্ষ থেকে নাযিলকৃত একটি গ্রন্থ। আমরা ঈমান রাখি যে, আল্লাহ তাআলা দাউদ আলাইহিস সালামকে একখানি গ্রন্থ দিয়েছিলেন যার নাম যাবুর। তবে বর্তমানে বাইবেলে যে দাউদের সংগীত নামে অভিহিত অংশ আছে তা তার গ্রন্থ বলা যাবে না।

কারণ, এর পক্ষে সুস্পষ্ট কোনো প্রমাণ নেই। কোন কোন হাদীসে দাউদ আলাইহিস সালামের গ্রন্থের নাম ‘কুরআন’ বলা হয়েছে। তখন এর অর্থ হবে, ‘পাঠকৃত’ বা পাঠের যোগ্য। হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘দাউদের ওপর কুরআন সহজ করে দেয়া হয়েছিল।

তিনি তার বাহনের লাগাম লাগাতে নির্দেশ দিতেন। তারা তা লাগিয়ে শেষ করার আগেই তিনি তা পড়া শেষ করে ফেলতেন।’ (বুখারি, হাদিস : ৪৭১৩)