ছবিঘর

দু-একটা প্রস্তাব তো আসেই, তাদের বারণ করি : হিমি

নিউজ ডেস্ক১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫৩ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :

দেড় মাস ছিলেন কানাডায়। ঘুরে বেড়িয়েছেন দেশটির আনাচকানাচে। দেশে ফিরেই প্রস্তুতি নিচ্ছেন শুটিংয়ের। জান্নাতুল সুমাইয়া হিমির সঙ্গে কথা বলেছেন সুদীপ কুমার দীপ।

কবে ফিরলেন?

এক সপ্তাহ আগে। এবার কানাডায় দেড় মাস ছিলাম। পুরো সময়টা উপভোগ করেছি। দেশটির বেশ কিছু দর্শনীয় স্থান ঘুরেছি।

বলে বোঝাতে পারব না কী সুন্দর একটা দেশ! এতটাই উচ্ছ্বসিত ছিলাম যে, দেশ থেকে কেউ কাজের জন্য ফোন দিলেও রিসিভ করিনি। আসলে সময়টা একান্তই নিজের মতো করে কাটাতে চেয়েছিলাম।
এসেই কি শুটিং শুরু করেছেন?

না। গত দুই ঈদে টানা শুটিং করেছি।

মনোটোনাস লাগছিল বলেই কানাডা বেড়াতে গিয়েছিলাম। দেশে আসার পরে নতুন কাজের প্ল্যানিং চলছে। এখনো শিডিউল চূড়ান্ত করিনি। শুটিংয়ে ফিরতে আরো সপ্তাহখানেক লাগবে হয়তো।
কানাডায় কেটি পেরি ও দুয়া লিপার কনসার্ট উপভোগ করার ছবি দিয়েছেন ফেসবুকে।

কেমন অভিজ্ঞতা হলো?
আমার জীবনে স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে থাকবে এই দুই কনসার্ট। দেশে কখনো কনসার্ট দেখিনি। এবারই প্রথম, তা-ও আবার দেশের বাইরে। ওরা তো আসলে শুধু গান করে না, গানের পাশাপাশি ফান করে, নানা বিষয়ে কথা বলে, এমনকি নিজেদের জীবনের অনেক কিছু শেয়ারও করে। কনসার্ট শেষে দারুণ কিছু উপলব্ধি নিয়ে ফিরেছি।

এসব কনসার্টের টিকিট পাওয়াও তো সহজ নয়। টিকিট পেলেন কী করে?

ওদের কনসার্টের টিকিট পাওয়া মানে সোনার হরিণ পাওয়া। কেটি পেরির গান ছোটবেলা থেকে শুনছি। আমার প্রিয় শিল্পীদের অন্যতম তিনি। দেশে থাকতেই জানতে পেরেছিলাম তাঁর ট্যুরের কথা। প্রায় আট মাস আগে টিকিট কেটেছিলাম। সত্যি বলতে, দুয়া লিপার কনসার্ট দেখার কথা ছিল না। তার আগেই দেশে ফেরার টিকিট করে রেখেছিলাম। হঠাৎ মনে হলো, কানাডায় আছি যেহেতু, কনসার্টটা দেখি। তারপর আমার বড় ভাইয়ের মাধ্যমে টিকিট জোগাড় করেছি। একদম সামনে থেকে দেখেছি কেটির কনসার্ট। দুয়া লিপার কনসার্টের টিকিট শেষ মুহূর্তে পেয়েছিলাম বলে আর সামনে থাকার সুযোগ পাইনি।

সম্প্রতি আপনার তিনটি নাটক পাঁচ কোটি ভিউয়ের ঘরে। ১৩০টি নাটক পেরিয়েছে কোটির গণ্ডি। কেমন উপভোগ করছেন?

বিষয়টা জানতাম না। নিউজ হওয়ার পরে দেখেছি। আসলে একসময় মাসে একটি বা দুটি নাটক করতাম। তখন একটু পরপর ইউটিউবে গিয়ে দেখতাম কত ভিউ হলো। এখন তো প্রতিদিনই শুটিং। প্রতি সপ্তাহে নতুন নতুন নাটক আসছে। খেয়াল করার সুযোগই তো পাই না। তবে কোটি কোটি ভিউ হওয়ার খবর আমাকে অনেক আনন্দ দিয়েছে, আবার দুশ্চিন্তায়ও ফেলেছে। এই সাফল্য ধরে রাখার চাপ আছে। জানেন তো, মুকুট অর্জন করা সহজ, রক্ষা করা কঠিন।

কানাডায় তো এবার ‘অ্যাডভেঞ্চার টাইম’ কাটিয়েছেন…

আর বলবেন না! বাঞ্জি জাম্পিংয়ের মুহূর্তটা না বললেই নয়। ভাইয়ের সঙ্গে তাল মেলাতে ২১০ ফুট ওপরে উঠলাম। শুরুতে ভাই জাম্প করল। ভাবটা এমন করল যে এটা কোনো বিষয়ই নয়। এরপর আমি যখন জাম্প দেওয়ার জন্য কর্নারে গেলাম এবং নিচের দিকে তাকালাম, তখন শরীর একদম হিম হয়ে গেল। বলতে পারেন আমি শক্ত হয়ে গেছি। পাশে অনেক মানুষ। না-ও করতে পারছি না লজ্জায়। শেষ মুহূর্তে লাফ তো দিলাম, কিন্তু পরে সিক হয়ে পড়েছিলাম।

নাটক থেকে অনেকেই চলচ্চিত্রে অভিনয় করছেন। আপনাকে কবে দেখা যাবে?

বড় পর্দা নিয়ে ভাবছি না। নাটক নিয়েই খুশি আছি। দু-একটা প্রস্তাব তো আসেই। তাদের বারণ করি। আসলে নাটকের দর্শক আমাকে অনেক আপন করে নিয়েছে। তাদের উপেক্ষা করে বড় পর্দায় নতুন করে পরীক্ষা দিতে চাই না। ভবিষ্যতে যদি মনে হয় তখন দেখা যাবে।