‘রমজান শব্দটি ফারসি শব্দ। আরবিতে বলা হয় সাওম,যার বাংলা অর্থ বিরত থাকা,আত্নসং্যম করে। পরিভাষায় সাওম বা রোযা তাকেই বলে তা হলো, সুবহে সাদিক থেকে শুরু করে সুর্যাস্ত পর্যন্ত সমস্ত প্রকার পানাহার এবং যৌন সংগম অর্থাৎ সমস্ত প্রকার খারাপ কাজ থেকে নিজে হেফাজত করাকে সাওম বা রোজা বলে। এই রমজান মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত প্রচুর। যেমম এই মাসেই নাযিল করা হয়েছিল আল কোরাআন।
-এ সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেন ;-রমজান মাসই হলো সেই মাস যে মাসে নাজিল করা হয়েছে কোরাআন মানব জাতির হেদায়েতের জন্য। তাছাড়াও রমজান মাস ইসলামের দ্বিতীয় স্তম্ভ।তাই এই রমজান মাসকে প্রত্যেক নর ও নারীত ওপর ফরজ করা হয়েছে। এই রমজান মাসের সমস্ত ইবাদত অন্য সকল মাসের চেয়ে ৭০ গুন বাড়ানো হয়। এই মাসকে মানব জাতির জন্য বোনাস মাস হিসাবে দেওয়া হয়েছে। রমজান মাসে এত গুরুত্বপূর্ণ মাস তা জানার পরও আজ অনেক মুসলমান রমজানের রোযা রাখে না।
রমজান মাসে দিনে সকল প্রকার হোটেল রেস্তোরাঁ খোলা রাখে। তারা সকলেই জানার পরও রমজান মাসকে অবহেলা করে। আল্লাহ তায়ালা হাদীসে কুদুসির মধ্যে বলেন:-রমজান মাস একান্তই আমার, তাই এর প্রতিদান আমি নিজে দেব। রমজান মাসের এত গুরুত্ব তাই রমজান মাসকে যথাযথ ভাবে পালন করা খুবই প্রয়োজন। আবার কিছু কিছু মুসলমান ভাই বোনেরা আছে যারা রমজানের রোজা তো রাখেই না বরং ঈদ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পরে। ঈদের আগে তাদের ভাবভঙ্গি দেখলেই মনে হয় যেন তারা কতইনা পরহেজগার।

ঈদুল ফিতর হলো রমজান শেষ হবার ঠিক পরের দিনই। বাংলা ভাষায় ঈদ বলা হয় আনন্দ,খুশি ও উৎসবকে ইত্যাদি কে। ঈদুল ফিতর তাদের জন্য খুশির দিন যারা সঠিকভাবে রমজানের রোযা এবং রমজানের হক আদায় করে। কিন্তু যারা রোযা রাখে না তারাই ঈদ নিয়ে বেশী ব্যস্ত হয়ে পড়ে। এই ঈদের তৃপ্তি মন থাকে তারাই পায় যারা রমজানকে সঠিক ভাবে পালন করে।
কিন্তু যারা রোযা রাখে না এবং ঈদকে নিয়ে বেশী ব্যস্ত হয়ে থাকে প্রকৃত পক্ষে তারাই কোনো তৃপ্তি পায় না। তাই প্রত্যেক মুসলমান এর উচিত ঈদের তৃপ্তি যথাযথ ভাবে পাওয়ার জন্য রমজান মাসের হক আদায় করা। আল্লাহ আমাদের সবাইকে কবুল করুক।
লেখক—মো:তামিম সিফাতুল্লাহ। মদীনাতুল উলুম কামিল মাদ্রাসা,রাজশাহী।ও কিশোর সাংবাদিক। Email:-tamim.sifatullah82@gmail.com









