সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:
লেনদেন ও সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে গেল সপ্তাহে কার্যক্রম শুরু করে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। নতুন বছরের শুরুতে লেনদেন এবং সূচক কম থাকলেও বেড়েছে দ্বিতীয় দিনে। তবে তালিকাভুক্ত সবচেয়ে ভালোমানের প্রতিষ্ঠানের শেয়ারগুলোর সূচক ‘ডিএস-৩০’ গেল সপ্তাহে কিছুটা কমেছে। সপ্তাহ শেষে লেনদেন বেড়েছে, সেই সঙ্গে কিছুটা বেড়েছে সূচক।
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস ডিএসইতে লেনদেন হয় ৩শ’ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। যা এর আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের চেয়ে কিছুটা কম। সূচক ছিল ৪ হাজার ৪৩৩ পয়েন্ট।

দ্বিতীয় কার্যদিবসে লেনদেন কিছুটা বেড়ে দাঁড়ায় ৩১৮ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। সূচক বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৪৫২ পয়েন্টে। তৃতীয় কার্যদিবস বছরের শেষ দিন এবং ব্যাংক হলিডে থাকায় বন্ধ ছিলো ডিএসই’র লেনদেন কার্যক্রম।
চতুর্থ কার্যদিবসে সপ্তাহের শুরুতে ২৯৬ কোটি ৩০ লাখ টাকার লেনদেন হয় ডিএসইতে। সূচক বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৪৫৩ পয়েন্টে।
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে লেনদেন বেড়ে দাঁড়ায় ৩৮৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা। সূচক বেড়ে দাঁড়ায় সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৪৫৯ পয়েন্টে। লেনদেন এবং সূচকের এ পরিমাণ পুরো সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ।
গেল সপ্তাহে মোট ৩৫৮ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়। এরমধ্যে দাম বেড়েছে ২৩২ টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দাম। কমেছে ৮৬টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দাম।
গেল সপ্তাহে শেয়ারের দাম বাড়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শীর্ষে ছিল ওইমেক্স ইলেক্ট্রোড, মোজাফ্ফর হোসেন স্পিনিং মিলস, খুলনা পাওয়ার কোম্পানি, স্ট্যান্ডার্ড ইন্সুরেন্স এবং আমরা টেকনোলজিস।
অন্যদিকে দাম কমার ক্ষেত্রে অ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স, নর্দার্ন জুট ম্যানুফ্যাকচারিং, ব্র্যাক ব্যাংক, মারকেন্টাইল ইন্সুরেন্স এবং জাহিনটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড উল্লেখযোগ্য।









