নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রসব বেদনা উঠলে বুধবার বিকেলে পান্না বেগমকে রাজশাহীর পুঠিয়ার আল মাহাদী ক্লিনিকে ভর্তি করেন তার পরিবার। ক্লিনিকের মালিক শমসের আলীর ছেলে মুনসুর রহমান প্রসূতির স্বজনদের জানান, ‘দ্রুত সিজারিয়ান করাতে হবে। না হলে রোগীকে বাঁচানো যাবে না।’ স্বজনরা তার ওই কথায় রাজি হন। নিহতের পান্না বেগমের স্বামী আলম সরদার এমনটি বলছিলেন।
তিনি আরো বলেন, অপারেশন শুরু করে ডাক্তারা।কিন্তু দীর্ঘক্ষণ পরও অপারেশন থিয়েটারের ভেতর থেকে কোন সাড়া না এলে রোগীর স্বজনদের সন্দেহ হয়। এসময় তারা অপারেশন থিয়েটারের সামনে গিয়ে দেখেন বাইরে তালা ঝুলছে দেখে চিৎকার শুরু করলে। পরে স্থানীয়রা এসে তালা ভেঙ্গে দেখেন অপারেশন থিয়েটারের টেবিলে পান্না বেগম লাশ পড়ে রয়েছে। ওই ক্লিনিকের মালিক শমসের আলী এবং তার ছেলে মুনসুর রহমান পলিয়ে যায়।

এর আগে গতকাল বুধবার বিকেল ৪টায় তাকে এ ক্লিনিকটিতে ভর্তি করা হয় প্রসূতি নারী পান্না বেগমকে (২৮)। তিনি উপজেলার ধোপাপাড়া গ্রামের আলম সরদারের স্ত্রী।
এ ঘটনায় ক্লিনিকের মালিক শমসের আলী এবং তার ছেলে মুনসুর রহমান পলাতক রয়েছেন। তবে ক্লিনিকের মারুফা খাতুন (২৫) নামে একজন কর্মচারিকে আটক করেছে পুলিশ।
আটক মারুফা খাতুন পুলিশকে জানান, অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়ার পরে একজন চিকিৎসক প্রসূতিকে একটি ইনজেকশন দেন। এরপর ঝাঁকুনি দিতে শুরু করেন তার কিছুক্ষণ পরেই তিনি মারা যান।
এ বিষয়ে পুঠিয়া থানার ওসি সায়েদুর রহমান সিল্কসিটিনিউজকে জানান, ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি এবং তার নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করা হচ্ছে। তবে ক্লিনিকের মালিক বা কোনো চিকিৎসককে ক্লিনিকে পাওয়া যায়নি। পরে ক্লিনিকটি সিলগালা করে দেওয়া হয়।
স/আ









