জাতীয়

ঝিনাইদহে নিখোজের ৮ দিন পর জামায়াত নেতার লাশ উদ্ধার, পুলিশের দাবি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত

নিউজ ডেস্ক১২ আগস্ট ২০১৬২ মিনিট পড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঝিনাইদহ:
ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু উপজেলার জোড়াপুকুর নামক স্থান থেকে নিখোজের ৮ দিন পর জামায়াত নেতা ও মাদ্রাসার শিক্ষক ইদ্রিস আলী ওরফে পান্না হুজুর (৫৬) এর মৃতদেহ আজ সকালে উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে পুলিশের দাবি সে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে।

 

নিহত ইদ্রিস আলী হরিনাকুন্ডু উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের কওসার আলীর ছেলে।

 

তিনি গত ৪ আগষ্ট পাশ্ববর্তি উপজেলা শৈলকুপার রামচন্দ্রপুর বাজার এলাকা খেকে নিখোজ হয়। তার বিরুদ্ধে পুলিশ সদস্য হত্যা ও নাশকতা সৃষ্টির ৭টি মামলা রয়েছে।

 
হরিনাকুন্ডু থানার ওসি মাহাতাব উদ্দিন সিল্কসিটি নিউজকে জানান, আজ  সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এলাকাবাসির সুত্রে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে পুলিশ উপজেলার হরিনাকুন্ডু-ঝিনাইদহ সড়কের জোড়াপুকুর নামকস্থানে জামায়াত নেতা ও মাদ্রাসার শিক্ষক ইদ্রিস আলী ওরফে পান্না হুজুরের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে। এ সময় মৃতদেহের পাশে তার মটরসাইকেলটি পড়ে থাকতে দেখা যায়। সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে তিনি জানান। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

 
ওসি আরো বলেন, নিহত ইদ্রিস আলী রঘুনাথপুর ইউনিয়ন জামায়াতের রোকন ও হোসেন আলী আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক ও বিবাহ রেজিষ্টার ছিলেন। তিনি গত নির্বাচনে রঘুনাথপুর ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দীতা করেন। তিনি পুলিশ সদস্য ওমর ফারুক হত্যা মামলা ও নাশকতা মামলার একাধিক আসামী ছিল। তার নিখোজ হওয়ার ব্যাপারে থানায় কেউ অভিযোগ করেননি বলেও পুলিশ জানায়।

 

এ দিকে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

 
উল্লেখ্য, নিহত ইদ্রিস আলীর স্ত্রী বেগম ইদ্রিস গত ৯ আগষ্ট ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবে নিখোজের বিষয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, তার স্বামী গত ৪ আগস্ট শৈলকুপা উপজেলার রামচন্দ্রপুর বাজার থেকে কাপড় লন্ড্রি করে বাড়ি  ফেরার সময় রাত ৮টার দিকে ৩-৪ জনের সাদা পোশাকধারী লোক যাদের কোমরে ওয়ারলেস ও পিস্তল ছিল তারা মটরসাইকেল সহ তুলে নিয়ে যায়। এর পর থানায় অভিযোগ দিতে গেলে অভিযোগ নেওয়া হয়নি বলে তিনি জানান।

স/অ