আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং ঘন কুয়াশা যদি না থাকে তাহলে আজ বৃহস্পতিবার পদ্মা সেতুর শেষ স্প্যানটি বসানো হবে ১২-১৩ নম্বর পিলারে। আর এটি বসানোর মধ্যদিয়ে ৬.১৫ কিলোমিটার পদ্মাসেতুর পুরোটাই দৃশ্যমান হবে।

প্রায় তিন বছরে একে একে ৪০টি স্প্যান বসেছে স্বপ্নের পদ্মা সেতুতে। আর বাকি আছে মাত্র একটি স্প্যান। শেষ স্প্যানটি বসালে দৃশ্যমান হবে পুরো সেতু।

সেতু প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আব্দুল কাদের জানান, তড়িৎ গতিতে শুরু হয়েছে ফোরলেন সড়ক ও রেললাইন প্রকল্প’র কাজের প্রক্রিয়া। নদী শাসনের জন্য দায়িত্বে রয়েছেন চীনের সিনোহাইড্রো করপোরেশন লিমিটেড। দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুর মূল নির্মাণ কাজের জন্য চীনের চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কোম্পানিকে দায়িত্ব দেয়ার পাশাপাশি দুই পারে সংযোগ সড়ক নির্মাণ ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণের জন্য যৌথভাবে আব্দুল মোনেম লিমিটেড ও মালয়েশিয়ার হাইওয়ে কনস্ট্রাকশন ম্যানেজমেন্ট কাজ করে চলছে।
তিনি আরও বলেন, পদ্মাসেতুর কাজ তদারকির জন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার কোরিয়ান এক্সপ্রেসওয়ে ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে। এবং রেল লাইনের কাজ করছে চায়না রেলওয়ে গ্রুপ লিমিটেড কোম্পানি। এছাড়া নিরাপত্তায় বিশেষ দায়িত্বে রয়েছে পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা।
এদিকে, স্প্যান বাসানো ছাড়াও অন্যান্য কাজও এগিয়ে চলেছে। এরমধ্যে সেতুতে ১৮ শতাধিক রেলওয়ে ও ১২ শতাধিক রোডওয়ে স্ল্যাব বসানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিয়ারে প্রথম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয় পদ্মা সেতু। ৪২টি পিয়ারে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৪১টি স্প্যান বসিয়ে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু নির্মাণ হচ্ছে।
সূত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন









