সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :
যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরেই পরপর কয়েকটি নাটকের শুটিং করেছেন। এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রচারে এসেছে দুটি নাটক। নীলাঞ্জনা নীলার সঙ্গে কথা বলেছেন সুদীপ কুমার দীপ।
কাজের ব্যস্ততা কেমন?

এখন হাতে কম কাজ নিচ্ছি।
সামনের মাসেই নতুন ছবি ‘সাইলেন্স’ মুক্তি পাবে। সংগীত পরিচালক ইমন সাহা দাদার প্রথম নির্মাণ। এই ছবিটি নিয়ে আমাদের অনেক আশা। দেশে মুক্তির পর আন্তর্জাতিক পরিসরেও মুক্তি পাবে।
বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবেও অংশ নেবে ছবিটি। সেগুলোতেও আমাকে উপস্থিত থাকতে হবে। ফলে এই মুহূর্তে বেশি কাজ করার সুযোগ পাব না। আজ (১৯ আগস্ট) একটা ফটোশুট করলাম।
দুপুরে আচমকা বৃষ্টির কারণে বেশির ভাগ শুট ইনডোরে করতে হলো।
‘সাইলেন্স’-এর গল্পটা কেমন?
গ্রামের একজন সাধারণ মেয়ে হঠাৎ করে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় গায়িকা হয়ে ওঠে। এই সাধারণ থেকে অসাধারণ হয়ে ওঠার জার্নি, এটাই ছবির মূল গল্প। ছবিটাকে মিউজিক্যাল ফিল্মও বলতে পারেন। আমাদের দেশে সাধারণত এই ধরনের গল্পে ছবি কম হয়েছে।
বলিউডের ‘রকস্টার’ বা কিছুদিন আগে মুক্তি পাওয়া ‘সাইয়ারা’র যে ঘরানা, ‘সাইলেন্স’ সেই ঘরানার ছবি।
হঠাৎ করে আপনার নাটকগুলো ইউটিউবে দারুণ সাড়া ফেলছে। ‘ফিটফাট বাবু’ পাঁচ দিনে ৩০ লাখ, ‘জামাই বউ অতি চালাক’ দুই সপ্তাহে এক কোটির কাছাকাছি ভিউ। এর পেছনে কারণ কী বলে মনে করছেন!
একটা সময় আমি ভিউয়ের দিকে নজর দিতাম না। নাটক করার কথা করতাম। তবে অন্যদের নাটকগুলোর ভিউ দেখে মাঝেমধ্যে খারাপ লাগতো। মাঝখানে যুক্তরাষ্ট্রে ছিলাম তিন মাস। সেখানে যাওয়ার পর নিজেকে নিয়ে নতুন করে ভাবলাম। সবাই যখন ট্রেন্ড নিয়ে কাজ করছে তখন আমি নই কেন? এর মধ্যে নির্মাতা তাইফুর রহমান আশিক ও সোহেল হাসান ভাইয়ের ফোন পেলাম। তারা ‘জামাই বউ অতি চালাক’ ও ‘ফিটফাট বাবু’র গল্প শোনালেন, সহশিল্পী থাকবেন মোশাররফ করিম ভাই। গল্প শুনে মনে হলো ট্রেন্ডি, আবার মোশাররফ ভাইও থাকবেন। প্রস্তাবটা গ্রহণ করলাম, দেশে ফিরে প্রথম দুই সপ্তাহে নাটক দুটির শুটিং করেছি। শুটিংয়ের সময়ই মনে হয়েছিল কিছু একটা হবে। তাই বলে মাত্র দুই সপ্তাহে কোটির ক্লাবে পৌঁছে যাবে এটা ভাবিনি।
সহশিল্পী হিসেবে আপনি মোশাররফ করিমকে কত মার্ক দেবেন?
এক শতে এক শ। তিনি সত্যিই জিনিয়াস। আমার বাবার বাড়ি সিলেট, মায়ের বাড়ি ময়মনসিংহ। আমি কথা বলার সময় সিলেট আর ময়মনসিংহের ভাষাই গুলিয়ে ফেলি, অন্য অঞ্চলের ভাষা হলে তো কথা নেই। এদিকে ‘জামাই বউ অতি চালাক’ নাটকটিতে গ্রামের ভাষায় সংলাপ বলতে হবে। কী যে করি! তখনই মোশাররফ ভাই আমাকে বললেন, ‘তুমি একটা কাজ করো, ময়মনসিংহের ভাষায় সংলাপ বলো। যেহেতু তুমি ওই অঞ্চলের ভাষা কিছুটা হলেও পারো।’ ভাইয়ের সাহসে ময়মনসিংহের আঞ্চলিক ভাষাতেই নাটকটি করলাম। এখন তো সফলও হয়েছি। এটাই হলো মোশাররফ ভাই। সহশিল্পীকে কিভাবে বিপদে উদ্ধার করতে হয় তিনি ভালো করে জানেন।
‘অন্তর্বর্তী’ ও ‘রুখসার’ নামে দুটি ছবিতে যুক্ত হয়েছিলেন। ছবি দুটির এখন কী অবস্থা?
‘অন্তর্বর্তী’র শুটিং তো শেষ করেছি আগেই। ডাবিংও হয়ে গেছে। অন্যদিকে ‘রুখসার’-এর কিছুটা শুটিং বাকি আছে। সেটা হয়তো কিছুদিন পরে শুরু হতে পারে। এই ছবি দুটির গল্পও আমাকে ঘিরে। দর্শকের ভালো লাগবে।
ওটিটিতে আর কাজ করছেন না?
আপাতত নতুন খবর নেই। আসলে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে কাজ কমে গেছে। যাঁরা নিয়মিত এখানে কাজ করতেন তাঁদেরও তো আপডেট পাচ্ছি না। দেখা যাক, আবার প্ল্যাটফর্মটি চাঙ্গা হলে আমিও কাজ করব।









