সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :
বুবলী আপু, তুষি আপুরা তো একদিনে এখানে আসেননি। ধীরে ধীরে নিজেদের জায়গা করে নিয়েছেন। আমিও একদিন সেটা পারব, এই বিশ্বাস আছে। আমি হার্ডওয়ার্ক করতে পারি
নিশ্চয়ই অনেক খুশি?
হ্যাঁ। অনেক খুশি লাগছে। প্রতিবার ঈদে নতুন জামা-কাপড় নিয়ে একটা উত্তেজনা থাকত। এবার সব উত্তেজনা এই ছবি ঘিরে।

দর্শকের কেমন লাগবে, পর্দায় আমাকে কেমন দেখাবে, হিট করবে কি না—এসব ভেবেই দিন কাটছে।
ঈদে শাকিব খান, আফরান নিশো, চঞ্চল চৌধুরী, মোশাররফ করিমের মতো তারকাদের ছবি মুক্তি পাচ্ছে। ‘প্রেশার কুকার’-এ আপনারা চার অভিনেত্রী। কী মনে হয়, সফল হতে পারবেন?
আমার মনে হয় শতভাগ সফল হব।
দর্শক কিন্তু এখন গল্প দেখে, নির্মাণ দেখে। ভালো গল্প, সুন্দর নির্মাণ না হলে তারকানির্ভর ছবিও ফ্লপ করতে দেখেছি। অন্যদিকে রায়হান রাফী এই মুহূর্তে দেশের সবচেয়ে পরীক্ষিত নির্মাতা। আমরা চার অভিনেত্রী আপ্রাণ চেষ্টা করেছি নিজেদের চরিত্র সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলতে। শবনম বুবলী ও নাজিফা তুষি আপুরা নিজেদের আগেই প্রমাণ করেছেন।
আরেকটা কথা, বাংলাদেশের সফল দুই প্রধানমন্ত্রী কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনা। নারী হিসেবে তাঁরা পারলে আমরা কেন পারব না? ঈদে ‘প্রেশার কুকার’-এ রান্নাটা ভালোই জমবে বলে রাখলাম।
বুবলী, তুষিদের সঙ্গে অভিনয় করতে চাপ অনুভব করেছেন?
একেবারেই না। আসলে বুবলী আপু, তুষি আপুরা তো একদিনে এখানে আসেননি। ধীরে ধীরে নিজেদের জায়গা করে নিয়েছেন। আমিও একদিন সেটা পারব, এই বিশ্বাস আছে। আমি হার্ডওয়ার্ক করতে পারি। তার প্রমাণ রাফী ভাইও পেয়েছেন। সকাল ৮টা থেকে রাত ৩টা পর্যন্ত শুটিং করেছি। শুটিংয়ের আগে এক মাস গ্রুমিংও করেছি। বুবলী আর তুষি আপুদের মতো নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। বাকিটা দর্শক বলবে।
ছবিটায় যুক্ত হলেন কিভাবে?
প্রায় দেড় বছর আগে রাফী ভাই আমাকে গল্পটা শুনিয়েছিলেন। তখন একবার অডিশন নিয়েছিলেন। বলেছিলেন, ছবিটি করলে আমাকে নেবেন। যখন ছবিটা ফাইনাল হলো, তখন আমি পরিবার নিয়ে ওমরাহ-তে ছিলাম। রাফী ভাইয়ের টেক্সট করে জানান, চার নারীকে প্রধান করে চিত্রনাট্য করেছেন। করতে চাইলে একটা চরিত্র আমাকে দেবেন। আমি তখনই হ্যাঁ বলে দিই। কারণ এটা নারীপ্রধান গল্প। দেশে ফিরেই গ্রুমিংয়ে অংশ নিলাম।
নতুন কোনো কাজ হাতে নিয়েছেন?
না। ‘প্রেশার কুকার’টা রিলিজ হোক আগে। ঈদের তো আর বেশি দেরি নেই। কিছু দিনের মধ্যে প্রমোশন শুরু হবে। সেখানে থাকতে হবে। কাজ হাতে নিলে করতে পারব না। ঈদের পর নতুন ছবির খবর দেব।
শোবিজে আপনার শুরুটা কিভাবে?
আমার বাড়ি রংপুর। ২০১৮ সালে এসেছি ঢাকায়। পরের বছর থেকে মডেলিং শুরু করি। দেশের বড় সব ব্র্যান্ডের মডেল হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে। এখনো মডেলিংয়ে আমার অনেক ব্যস্ততা। পরিবার শুরুতে সমর্থন না দিলেও এখন দিচ্ছে। ‘প্রেশার কুকার’-এর শুটিংয়ের পুরোটা সময় আম্মু আমার সঙ্গে ছিলেন।
নাটক ও ওটিটিতে কাজ করবেন?
ওটিটি-তে কাজ করার ইচ্ছা আছে। তবে নাটক করব না।









