সব খবর

ইকোকার্ডিওগ্রাম কখন করাবেন

নিউজ ডেস্ক২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮১ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক:

হার্টের রোগ নির্ণয়ের আধুনিক পদ্ধতির নাম ইকোকার্ডিওগ্রাম। এটি আল্ট্রাসনোগ্রামের মতো একটি পরীক্ষা।

যার সাহায্যে হৃৎপিণ্ডের ভাল্বের রোগ, জন্মগত রোগ, হৃৎপিণ্ডের মাংসপেশির রোগ, হৃৎপিণ্ডের বাইরের পর্দা, পেরিকার্ডিয়ামের রোগ, হৃৎপিণ্ডের বাইরের পানি ও ধমনির রোগ নির্ণয় করা যায়।

হৃৎপিণ্ডের ভাল্ব সরু হয়ে গেলে বা লিক হলে ইকোকার্ডিওগ্রামের মাধ্যমে শনাক্ত করা যায়। এই সরু হওয়াকে স্টেনোসিস ও লিকেজ হওয়াকে রিগারগিটেশন বলা হয়।

এছাড়া রিউম্যাটিক হার্টডিজিজ বা বাতজ্বরও এ পরীক্ষার মাধ্যমে ডায়াগনোসিস করা যায়। কালার ডপলার ইকোর সাহায্যে হৃৎপিণ্ডের ভাল্বের বিভিন্ন সমস্যা ও মাত্রা নিরূপণ করা সম্ভব। হৃৎপিণ্ডের ভেতরে কোনো টিউমার কিংবা হৃৎপিণ্ডের কোনো টিস্যু বা রক্তের জমাটবাঁধা বা চাকা নির্ণয় করা যায়।

হৃৎপিণ্ডের দেয়ালে কোনো ইনফেকশন থাকলে তার ভেজিটেশন পাওয়া যায়। হার্ট অ্যাটাকের কারণে হৃৎপিণ্ডের কার্যক্ষমতা কমে গেলে যাকে সামগ্রিকভাবে কার্ডিওমায়োপ্যাথি বলে তাও নির্ণয় সম্ভব।

হৃৎপিণ্ডের মাংসপেশি মোটা হলে অর্থাৎ হাইপারট্রপি ইকোর মাধ্যমে দেখা সম্ভব। হৃৎপিণ্ডের দেয়ালে কোনো সমস্যা হলে অর্থাৎ দেয়ালের সংকোচন-প্রসারণ দেখার জন্য টুডি ইকো যথেষ্ট। ভাল্বে কোনো সমস্যা থাকলে কালার ইকোর প্রয়োজন হবে।