ধর্ম

রুয়ান্ডায় ৭০ হাজার হাফেজের ঐতিহাসিক গ্র্যান্ড গ্র্যাজুয়েশন

নিউজ ডেস্ক২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬২ মিনিট পড়া

সিল্কসিটিনিউজ ডেস্ক :

রুয়ান্ডার রাজধানী কিগালিতে অনুষ্ঠিত হলো এক ব্যতিক্রমধর্মী ও ঐতিহাসিক গ্র্যান্ড গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠান। এতে অংশ নেন পবিত্র কোরআনের ৭০,০০০ জন পুরুষ ও নারী হাফেজ। এই মহতী আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন মুসলিম ওয়ার্ল্ড লীগের মহাসচিব ও মুসলিম স্কলার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান শেখ ড. মুহাম্মদ বিন আব্দুল করিম ইসা। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আলেম-উলামা, শিক্ষাবিদ এবং বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

মুসলিম ওয়ার্ল্ড লীগের তত্ত্বাবধানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিশেষত আফ্রিকার নানা অঞ্চলে পরিচালিত শিক্ষামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে কোরআনে হাফেজ হওয়া নির্বাচিত নারী ও পুরুষদের এই অনুষ্ঠানে সম্মান জানানো হয়। উদ্বোধনী বক্তব্যে শেখ ড. ইসা বলেন, পবিত্র কোরআনের সেবা এবং এর হাফেজদের যথাযথ কদর করাই মুসলিম ওয়ার্ল্ড লীগের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। অনুষ্ঠানে হাফেজদের পক্ষে বক্তব্য দেন ড. আবকার ওয়ালার মাদু। তিনি কোরআন মুখস্থকারীদের মধ্যে সংযম, ভারসাম্য ও নৈতিকতার মূল্যবোধ গড়ে তুলতে মুসলিম ওয়ার্ল্ড লীগ-সংশ্লিষ্ট একাডেমিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ভূমিকার প্রশংসা করেন।
একই সঙ্গে তিনি আয়োজক দেশ সৌদি আরবের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং বলেন, ইসলাম ও মুসলমানদের সেবায় সৌদি আরবের নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকারই একটি ফল হলো মুসলিম ওয়ার্ল্ড লীগ। কোরআন ও রাসুল (সা.)-এর সুন্নাহভিত্তিক সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে এই সংগঠনের ভূমিকার কথাও তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে একটি তথ্যবহুল ভিজ্যুয়াল প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মুসলিম ওয়ার্ল্ডের অনুমোদিত বিভিন্ন কোরআন ইনস্টিটিউট ও কেন্দ্রের কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। এতে কোরআন মুখস্থকরণ, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং সমাজে কোরআনের বার্তা বিস্তারে বিভিন্ন উদ্যোগের ইতিবাচক প্রভাব ফুটে ওঠে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে  বেশ কয়েকজন কোরআন হাফেজ ও শিক্ষককে সম্মাননা প্রদান করা হয়। তাঁদের জীবন ও অর্জন স্পষ্ট করে যে পবিত্র কোরআন শুধু মুখস্থের বিষয় নয়; এটি নৈতিক নেতৃত্ব ও আলোকিত সমাজ গঠনের এক শক্তিশালী ভিত্তি। (সূত্র : আলোকা নেটওয়ার্ক)